প্রাচীন কালে চীনে উপপত্নীর ভূমিকায় যেমন পুরুষদের দেখা যেত, তেমনই দেহব্যবসার কাজেও তারা লিপ্ত ছিল নারীদের মতোই। পুরুষদের মূল্য নির্ধারিত হতো তাদের চেহারার সৌন্দর্যের উপর ভিত্তি করে। যেমন- ওয়েই অঞ্চলের রাজার মিজি জিয়া নামক এক পুরুষ শয্যাসঙ্গী ছিল। যতদিন পর্যন্ত জিয়ার চেহারায় মাধুর্য ছিল, ততদিনই রাজার কাছে তার কদর ছিল। সেটা হারাতে শুরু করার পরপর রাজাও যেন আর তার প্রতি তেমন আকর্ষণ বোধ করতেন না। অবশ্য চীনের সাথে গ্রিস আর রোমের পার্থক্য রয়েছে।
এই দেশ দুটোতে একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ও একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলের মাঝে সম্পর্ককে উতসাহিত করা হলেও প্রাপ্তবয়স্ক দুজন পুরুষের মাঝে সম্পর্ককে একটু অন্যভাবে দেখা হতো। কিন্তু চীনে আবার তেমনটা ছিল না। প্রাপ্তবয়স্ক দুজন পুরুষের মাঝে সম্পর্ককেও তারা স্বাভাবিকভাবেই নিত। উদাহরণস্বরূপ, রাজা আই ও তার প্রেমিক ডং জিয়ানের মাঝে সম্পর্ক নিয়ে প্রচলিত একটি কাহিনীই শোনানো যাক।
একবার জিয়ান নাকি রাজার পরনের কাপড়ের হাতার মাঝেই মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। রাজা চাননি জিয়ানকে জাগাতে। তাই তিনি নিজের জামার হাতাটাই কেটে ফেলেন! এরপর আস্তে আস্তে সেই জায়গা থেকে সরে যান যাতে জিয়ানের ঘুম না ভাঙে। এই কাহিনী সভাসদদের এতটাই আবেগাপ্লুত করে তুলেছিল যে, সেই ঘটনার প্রতি সম্মান প্রদর্শনার্থে তারাও নিজেদের জামার হাতা কেটে ফেলেছিলেন। চীনের পুরুষেরা একে অপরের সাথে সম্পর্কে জড়ালেও বিয়েটা তারা একজন নারীকেই করতো। কারণ বংশ রক্ষা করার জন্য।
পি/ব
No comments:
Post a Comment