দেবশ্রী মজুমদারঃ শনিবার গোবিন্দকে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে তিন বেলা ভোগ নিবেদন। মধ্যাহ্ন ভোগারতিতে থাকে পঞ্চ ব্যাঞ্জন। তারপরের দিন হলো নন্দ উৎসব!
আর সেই নন্দ উৎসবে তাল থাকবে না তা কি কখনও হয়? তিন পদ--- তালের বড়া, তালের লুচি আর তালের খির! এই তিন তাল হলে নন্দ লালা দেখবে, ব্যাপারটা জমে একদম ক্ষীর!
নন্দ উৎসবের মূল বিষয় হল ক্ষুদেদের কৃষ্ণ সাজা! শ্রী খোল, খঞ্জনী সহযোগে ক্ষুদেরা কৃষ্ণ সাজে অর্থাৎ হাতে মনমোহনী বাঁশি, মাথার মুকুটে ময়ুরের শিখি পাখা দুলিয়ে হাঁটা দেখে নয়ন সার্থক করা! মনে করিয়ে দেয় সেই গান--- কি আনন্দ হলো ব্রজে, কি আনন্দ হলো/ গোপালে পাইয়া ব্রজে কি আনন্দ হলো/ তালের বড়া খেয়ে নন্দ নাচিতে লাগিল।
নন্দ কি খায়! ভক্তদের আবেগে তিনি সব খান। তো তালের বড়া বাদ যাবে কেন? এসব কী আর জ্ঞান গুরু গুগল বলতে পারেন! এই তালের বড়া নিয়ে ছোট বেলায় একটি প্যারোডি আমরা শুনেছি। কি আনন্দ হৈল রে ভাই কি আনন্দ হৈল/ লুচির উপর তালের বড়া ঠুলোতে (লাফাতে) লাগিল। আপাতত, তালের বড়ার আশায় থাকুন! পেটের মধ্যে তালের বড়া ঠিক লাফাবেই!
পি/ব
No comments:
Post a Comment