সুদেষ্ণা গোস্বামী: হতাশার কারণ হতে পারে কোন কিছু মনে রাখতে পারছি না -এমন একটি বাক্য। আপনি ভাবছেন আমি কখন ও এসব সমস্যা ছিলনা এর চেয়েও কঠিন জটিল এবং দুর্বোধ্য কিছু খুব সহজেই মনে রাখতে পারতেন আপনি কিন্তু এমনটা কেন হচ্ছ। আপনি বাইরে বের হতে যাচ্ছেন মানিব্যাগটা কোনভাবেই খুঁজে পাচ্ছেন না ,চাবিটা কোথায় রাখলাম সেটিপ্রয়োজনের সময় খুঁজে পাননা।
আমার স্মৃতিশক্তি কমে যাচ্ছে আমি পড়া মনে রাখতে পারিনা। এমন রোগের নাম কি জানা? এতক্ষণ যে কথাগুলো বললাম সেগুলো কমবেশি প্রত্যেকে আমরা বলে থাকি তবে ভুলে যাওয়ার সমস্যা কারও কারও ক্ষেত্রে স্বাভাবিক পর্যায়ে থাকে তবে কারও ক্ষেত্রে সেটা একেবারে অস্বাভাবিক পর্যায়ে চলে যায়। এ নিয়ে বিজ্ঞানীরা প্রচুর গবেষণা করেছেন ও নতুন নতুন তথ্য জানার চেষ্টা করেছেন । মাত্র কয়েকটি সহজ উপায়ে আপনি আপনার স্মৃতিশক্তি উন্নত করতে পারবেন।
১)কম ঘুমের অভ্যাস আপনার স্মৃতিশক্তি দুর্বল করে দেয়।
২) মনের ভেতর থেকে হতাশা দূর করুন।না হলে মানসিক রুগি হয়ে যেতে পারেন। হতাশা জীবনে আসবে তবে মনের মধ্যে ধরে রাখলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে উঠবেন আপনি। বিশ্বাস রাখুন আগামীতে। ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখুন।
৩)মস্তিষ্কে জল স্বাভাবিকের থেকে কম থাকলে কাজের মনোযোগ কমে যেতে পারে। খাদ্যতালিকায় বেশি জল ও ফলের জুস রাখার চেষ্টা করুন।
৪)অতিরিক্ত মিষ্টি খাওয়াও কিন্তু মস্তিষ্কের জন্য ভালো না ।যারা অতিরিক্ত মিষ্টি খায় তারা স্মৃতিশক্তি রাশের সমস্যায় ভুগতে পারেন। অতিরিক্ত মিষ্টিরমস্তিষ্কের নিউরন কানেকশন কে ব্যাহত করে।
৫) ওমেগা 3 ফ্যাটি এসিড আছে এমন জাতীয় খাদ্য খান সবুজ শাক-সবজি ও ফল খান।
৬)পড়াশোনা মানুষের মস্তিষ্কের মনোযোগ ও বুদ্ধিমত্তা বাড়িয়ে দেয। নিয়মিত পড়ার অভ্যাস তৈরি করুন ।
৭)স্মৃতিশক্তি ভালো রাখতে ছবি আঁকুন।ছবি আঁকলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে।
৮)ব্রিটিশ বিজ্ঞানীরা গবেষণায় দেখিয়েছেন ভালোবাসা ও ঘৃণা এই দুটি মানুষের মস্তিষ্কের একই স্থান থেকে সৃষ্টি হয়েছে তাই এদের প্রভাব প্রায় একই রকম। তাই সুস্থ স্বাভাবিক সম্পর্ক আপনার স্মৃতিশক্তি বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
পি/ব
No comments:
Post a Comment