সুদেষ্ণা গোস্বামী: চাণক্য কে ভারতের ইতিহাসে সবথেকে বড় ডিপ্লোম্যাট অর্থাৎ কূটনীতিবিদ হিসেবে মনে করা হয়। চাণক্যের শিক্ষার বর্ণনা তার অর্থশাস্ত্র বইটিতে রয়েছে।
১. চাণক্য বলেছেন একজন ব্যক্তির কখনো বেশি সৎ হওয়া ভালো নয় সোজা গাছ কাটতে সুবিধা হয় তাই বেশি সোজা সাদাসিদে মানুষকে লোক পেয়ে বসে।
২. চাণক্যের দ্বিতীয় নীতিটি হলো তিনি বলেছেন নিজের যত গোপন কথা কাউকে শেয়ার করবেন না খুব খুব কাছের লোকের কাছে ওশেয়ার করবে না ।কেননা আমরা যদি নিজেদের গোপন কথা নিজে রাই চেপে না রাখতে পারি অন্য লোক কি করে সেটি লুকিয়ে রাখবে সুতরাং কোনদিনও নিজের গোপন কথা খুব কাছের লোকে শেয়ার করা উচিত নয়।কারন তোমার গুপ্তকথা তারা অন্যকে বলে দিতে পারে।
৩. যখন কোন কাজে হাত দেবে বা কোন কাজ করতে যাবেন সেই কথা কাউকে আগে থেকে বলার কোন দরকার নেই এতে বাধা সৃষ্টি হয়। যখন কাজটিতে সফল হবে তখন লোকে এমনি জেনে যাবে।
৪. তিনি বলছেন প্রতিটি বন্ধুত্বের পিছনে একটা সেল্ফ ইন্টারেস্ট থাকে পৃথিবীতে এমন কোনো বন্ধুত্ব নেই যেখানে কোন self-interest নেই ভালো করে পর্যবেক্ষণ করলে দেখতে পাবেন আপনার প্রিয় বন্ধুটি ও কন্ কোন স্বার্থে আপনার সাথে মিশছে ।তাই বলে এই নয় যে বন্ধুত্ব করবেন না বন্ধুত্ব করুন কিন্তু বুঝে শুঝে বন্ধুত্ব করুন।
৫. চাণক্যের নীতি অনুযায়ী তিনি বলছেন যে- যে সাপের বিষ নেই তার ও উচিত তার যে বিশ আছে সেটা প্রকাশ করার।অর্থাৎ মনে মনে দুর্বল হলেও কখনো প্রকাশ কবেই না যে তুমি দুর্বল কাউকে বুঝতে দেবে না যে তুমি ভেঙে পড়েছো এতে সামনের লোক তোমার থেকে আরও সুবিধা নিতে থাকবে এবং তোমাকে পিসতে থাকবে।
৬. একজন মূর্খ ব্যক্তির সাথে আমাদের বন্ধুত্ব করা উচিত নয় অল্প জ্ঞান বা কোন জ্ঞান না থাকায় তারা আপনার ভাবনাচিন্তা কে কখনোই বুঝতে পারবে না। আপনার জ্ঞান বা কথাকে অন্যভাবে নিয়ে সেটাকে খারাপ প্রতিপন্ন করবে তাই মূর্খ ব্যক্তির সাথে একদমই মেশা উচিত না। তাই বন্ধুত্ব সবসময় নিজের মতো নিজের লেভেলের মানুষের সাথে করা উচিত।
৭. তিনি আরো বলেন যে সবসময় অপরের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজে কাজ করার চেষ্টা করুন। কারণ আমাদের হাতে অত সময় নেই যে আমরা প্রথমে ভুলটা করব তারপরে শিক্ষা নিয়ে সেই কাজটা করব। এই নীতি ফলো করলে আমাদের জীবনে সুখ ও সফলতা খুব দ্রুত আসবে এবং একটা ভালো কম্ফোর্টেবল লাইফ আপনি লিড করতে পারবেন।
পি/ব
No comments:
Post a Comment