হতাশা, অবসাদ ,ট্রেস ও বাড়তে থাকে ।মন খারাপ হলেই মুঠো মুঠো খাবার খাওয়া উপোস করে থাকা ঠিক নয়। আবার নেগেটিভ বডি ইমেজ, আত্মবিশ্বাস হীন তার মত সমস্যা তো রয়েছেই। তাই কিছু কিছু সাবধানতা আপনাকে অবলম্বন করতেই হবে অভিভাবকদের বাচ্চাদের ছোট থেকে সব ধরনের আনাজপাতির খাওয়ানো শেখানো উচিত।
সন্তানদের বোঝাতে হবে ভালোভাবে নিজেকে ফিট ও সুন্দর দেখতে চাই সকলেই তার জন্য চাই সঠিক শরীরচর্চা ও খাদ্যাভ্যাস অনেক সময় কম বয়স থেকেই এসিডিটি ও গ্যাসট্রাইটিস এর সম্মুখীন হচ্ছে বয়সের ছেলেমেয়েরা সেজন্য খাওয়া দাওয়ার সঠিক সময়ে করা খুব দরকার।
কার্বোহাইড্রেট বা ফ্ল্যাট মানেই খারাপ নয় বরং প্রাতরাশ এ হাই কাব জরুরী বোঝাতে হবে তাও। স্নাক্স মানেই ভাজাভুজি না শু্কনো খাবার ,ফল খাওয়ার অভ্যাস করাতে পারেন। কারো বাড়িতে গেলে বড়রা চিপস কোল্ড ড্রিঙ্কস নিয়ে যান তার পরিবর্তে ফল বাদাম বিস্কুট নিয়ে যেতে পারেন। সবশেষে বলি বাড়িতে সকালে সবাই মিলে শরীরচর্চা ভালো খাবার খাওয়া ও সুস্থ জীবনের পরিবেশ তৈরি করুন।
পি/ব
No comments:
Post a Comment