হরমোন এর বিভিন্ন তারতম্যের জন্য ছেলে মেয়েদের শরীরে ও মনে হঠাৎ পরিবর্তন ঘটে। শরীরে বড় হলেও মন কিন্তু সেভাবে পরিপক্ক হয়ে ওঠে না এদের।দৈহিক উচ্চতা মা বাবার মাথায় মাথায় হয়ে গেছে বলে তারা নিজেদের যতটা বড় বলে মনে করে বাস্তবে ততটা বড় তারা কখনো হয় না ফলে নানা ব্যাপারে ধুমধাম সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে। এই বয়সে প্রেম আসার সম্ভাবনা থেকেই যায়।
বাবা মায়ের ভয়ে তারা সম্পর্ক গলি লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করে নানাভাবে। অযাচক বয়ফ্রেন্ড বা গার্লফ্রেন্ডের সঙ্গে মন কষাকষি হলে নিজের জীবন শেষ করে দিতেও দ্বিধা করে না। মুশকিল হলো সন্তান যে এমন একটা সম্পর্কে রয়েছে তা বোঝার উপায় কি উপায় রয়েছে খেয়াল করুন ও নিজের প্রাইভেসির ব্যাপারে বেশি সতর্ক হয়ে গেছে কিনা। কারণ এই বয়সের ছেলেমেয়েরা দরজা বন্ধ করে দিয়ে একা থাকতে চায় সাধারণত বাচ্চারা ঘর বন্ধ করে ফোনে কথা বলে ও চ্যাট করতে চায়।
সাধারণত বাচ্চারা দেখা যায় ঘর বন্ধ করে ফোনে কথা বলে এছাড়া দেখা যায় প্রেম নির্ভর গল্প পড়তে প্রেমের ছবি দেখতে পছন্দ করে ওরা।ঘর বন্ধ করে দাঁড়িয়ে লিখে কেউ কেউ ঘরের বিশেষ কোন জায়গায় লুকিয়ে রাখে উপহার নির্দিষ্ট জায়গায় কাউকে হাত দিতে দেয় না। সন্তান এমন করলে প্রথমেই রাগারাগি করবেন না প্রথমত এভাবে দরজা বন্ধ করে ঘরে ঢুকে থাকা সমর্থন করবেন না।
দ্বিতীয়তঃ ঠান্ডা মাথায় ওকে বোঝান প্রত্যেকেই এমন অবস্থার মধ্যে দিয়ে যায। তার মধ্যে লক্ষ্য স্থির রাখা দরকার। তাই আগে কেরিয়ার তৈরি করো নিজের পায়ে দাঁড়াও তারপর অন্য বিষয়ে ভাবা যাবে ।প্রথমে জোর করলে বাধা দিলে মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হবে তা কাম্য নয়।
তাছাড়া সন্তান দরজা বন্ধ করে নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ছে কিনা এদিকেও খেয়াল রাখবেন এছাড়া কোন টেবিলের নির্দিষ্ট বই রাখার র্র্যাকে কাউকে হাত দিতে দিচ্ছে না দেখলে নজর রাখতে শুরু করুন। বোঝার চেষ্টা করুন ও ঠিক কী লুকোতে চাইছে।ওর ব্যবহারের পরিবর্তনের দিকে নজর দিন।দেখুন কম ঘুমাচ্ছে কিনা বা মোবাইল নিয়ে বেশি ঘাটাঘাটি করছে কিনা ।এই সময় এমন ঘটনা দেখলে ওর সঙ্গে কথা বলুন ওর মনের ভিতরে কি চলছে তা বোঝোর চেষ্টা করুন। বেশি বাড়াবাড়ি দেখলে মনোবিদের পরামর্শ নিন।
পি/ব
No comments:
Post a Comment