আজ কাশ্মীরে যাচ্ছেন রাহুল গান্ধী - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 24 August 2019

আজ কাশ্মীরে যাচ্ছেন রাহুল গান্ধী




আজ শনিবার কাশ্মীরে যাচ্ছেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। তাঁর সঙ্গে যাচ্ছেন ভারতের আরও ১০ টি বিরোধী  রাজনৈতিক দলের নেতারা। ভারত অধ্যুষিত জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়ার পর কেরকম আছে কাশ্মীর তা দেখতেই মূলত তিনি সেখানে যাচ্ছেন। এই প্রতিনিধি দলে রয়েছেন, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, গুলাম নবি আজাদ, আনন্দ শর্মা, কেসি বেণুগোপাল, সিপিআই নেতা ডি রাজা, সিপিএমের সীতারাম ইয়েচুরি, ডিএমকের তিরুচি সিবা, আরজেডির মনোজ ঝা, তৃনমূলের দীনেশ ত্রিবেদী, এনসিপির মজিদ মেনন এবং জেডিএসের কুপেন্দ্র রেড্ডি।


 উল্লেখ্য, জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়ার পর রাজ্যটিকে দুটি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। কিন্ত জম্মু-কাশ্মীরের প্রশাসন কোনওভাবেই বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাদের জম্মু-কাশ্মীরে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। এর আগে কংগ্রেস নেতা তথা সাংসদ গুলাম নবি আজাদ দুই বার কাশ্মীরে যাওয়ার চেষ্টা করলেও শ্রীনগর বিমানবন্দর থেকে দিল্লি ফিরে আসতে হয় তাঁকে। সিপিএমের সাধারন সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি এবং সিপিআই সাংসদ ডি রাজাও কাশ্মীরে ঢুকতে গিয়ে ব্যার্থ হন।



 জম্মু-কাশ্মীরের অন্যতম বিরোধী নেতা তথা রাজ্যটির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহ, ওমর আবদুল্লাহ ও মেহবুবা মুফতিকেও গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে। এই অবস্থায় কিছুদিন আগে কাশ্মীরের রাজ্যপাল সত্যপাল মালিক রাহুল গান্ধীকে আমন্ত্রণ জানিয়ে বলেছিলেন, রাহুল গান্ধী যেন এসে দেখে যান কাশ্মীরবাসী কেমন আছেন। কারন, রাহুলের অভিযোগ ছিলো, জম্মু-কাশ্মীরের মানুষের গণতন্ত্র বিপন্ন।



 সেখানকার মানুষ নিপীড়িত। অথচ কেন্দ্রীয় সরকার সেই খবর সামনে আসতে দিচ্ছে না। রাহুলের সেই অভিযোগের পরেই জম্মু-কাশ্মীরের রাজ্যপাল সত্যপাল মালিক রাহুল গান্ধীকে কাশ্মীরে গিয়ে কাশ্মীরবাসী কেমন আছেন তা দেখে আসতে বলেন। সত্যপাল মালিকের সেই আমন্ত্রণ গ্রহন করেন রাহুল গান্ধী। যার সুবাদেই এদিন কাশ্মীর যাচ্ছেন রাহুল গান্ধী। তবে রাহুল গান্ধী সহ ভারতের বিরোধী রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের শ্রীনগর যাত্রা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করেছে জম্মু-কাশ্মীরের প্রশাসন।



জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসনের তরফে এই ট্যুইট বার্তায় বলা হয়েছে, ভারত-পাক সীমান্তের ওপারের সন্ত্রাসবাদী ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের থেকে জম্মু-জাশ্মীরের মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে। এই অবস্থায় জম্মু-কাশ্মীরের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা দেরানোর প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটানোর চেষ্টা করা উচিত নয় বিরোধী দলগুলির প্রবীন রাজনৈতিক নেতাদের।



 প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, শ্রীনগরে এসে মানুষকে সমস্যায় ফেলবেন না। কাশ্মীরের নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘিত করা উচিত নয়। জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসনের তরফে বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাদের কাছে অনুরোধ করা হয়েছে, জম্মু-কাশ্মীরের শান্তিরক্ষা ও মানুষের জীবন বাঁচানোই এখন অগ্রাধিকার।



পি/ব 

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad