মিড ডে মিলে দুর্নীতি, তালাবন্দি শিক্ষক, মুচলেখা দিয়ে রেহাই - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Monday, 26 August 2019

মিড ডে মিলে দুর্নীতি, তালাবন্দি শিক্ষক, মুচলেখা দিয়ে রেহাই




দেবশ্রী মজুমদার:    নিম্নমানের খাবার মিড ডে মিলে। এই অভিযোগে প্রধান শিক্ষককে তালাবন্দি করে রাখলেন অভিভাবকরা। বিকেলের দিকে পুলিশ গিয়ে ওই শিক্ষককে উদ্ধারে করে। তবে নিজের দুর্নীতির কথা স্বীকার করে মুচলেখা দেওয়ার পরই উদ্ধার হন প্রধান শিক্ষক লালমোহন রবিদাস।         



 ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের মুরারই থানার কাশিমনগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। জানা গিয়েছে, ওই স্কুলে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ৭৩০ জন। ২৯০ জন পড়ুয়া নিয়মিত খাওয়াদাওয়া করে। তাও অধিকাংশ দিন রান্না না করেই কাগজকলমে রান্না দেখানো হয়। এরই প্রতিবাদে সোমবার স্কুলে যান অভিভাবকরা। তারা দেখেন এদিনও নিম্নমানের খাবার দেওয়া হচ্ছে।         


এরপর রেজিস্টার খুলে দেখেন চলতি বছরের ১৩, ১৪, ১৬ ও ১৭ আগস্ট রান্না না করেই ২৯০ জন ছাত্রছাত্রীকে খাওয়ানো হয়েছে বলে দেখানো হয়েছে। এরপরেই প্রধান শিক্ষক লালমোহন রবিদাসকে হেনস্থা করা হয়। পরে তালাবন্দি করে রাখা হয়।       


বিকেলের দিকে মুরারই থানার ওসি গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। তবে তার আগে প্রধান শিক্ষক মুচলেখা দিয়ে অপরাধের কথা স্বীকার করে নেন। গ্রামের বাসিন্দা আনিকুল আলম বলেন, “বহু দিন থেকে আমাদের কাছে অভিযোগ আসছিল নিম্নমানের খাবারের। আবার প্রায় রান্না হত না। তাই এদিন আমরা দেখতে এসেছিলাম। হাতেনাতে দুর্নীতি ধরা পড়ে যায়”।           


প্রধান শিক্ষক লালমোহন রবিদাস বলেন, “পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। আমাকে মারধর করেছে। আমার আর পাঁচ মাস চাকরি আছে। আমি কোন অভিযোগ করব না। এবার থেকে গ্রামবাসীদের নিয়ে মিড ডে মিল রান্না করাব।         


মুরারই ১ নম্বর ব্লক স্কুল পরিদর্শক সেলিম দফাদার বলেন, “আমি ছুটিতে আছি। সহ শিক্ষক ফোনে আমাকে জানায়। তার পরেই আমি বিডিও এবং পুলিশকে জানিয়েছি”।মুরারই ১ নম্বর ব্লকের বিডিও নিশীথ ভাস্কর পাল বলেন, “তদন্ত করে দেখা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে”।



পি/ব 

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad