রানী ক্লিওপেট্রা যখন সিজার বা এন্টনির মনোহর হরণ করেন গ্রীষ্মের মিশর তখনও একই রকম গরম। অথচ সেই চড়া রোদ সম্রাজ্ঞীর অঙ্গে এতোটুকু মলিনতা আনতে পারেনি। তার জন্য সারা পৃথিবীর নদী পর্বত খুনি খুঁড়ে রূপচর্চার উপাদান আনা হত। তাই স্নান কক্ষে যে জলাধার ছিল তার গায়ে বসানো হতো সমুদ্র থেকে আনা পান্না। চৌবাচ্চা ভরা উটের দুধ পান্নায় নাই ঠান্ডা থাকত। তাতে দেহ ডুবিয়ে বসতেন রানী।
হাত পায়ে ঘষা হত ঘি মাখা লবণ দানা। জল থেকে উঠে দাঁড়ালে তার শরীর রে পরত পাতলা মোমে মাখা বাদামের ক্রিম এর প্রলেপ। মিশরের আরেক রানীর সময়ে ঘরের অনেক উঁচুতে মুখোমুখি করে জানালা কাটা হত। আরামদায়ক বাতাস খেলত ঘর জুড়ে সোনা বা তামার পাত্রে জল ধরে রাখা হতো তাতে ডুবানো থাকত সুদৃশ্য শ্যাওলা। অন্দরমহল হিমেল রাখত তাড়া। রোমান সুন্দরীরা নকশা কাটা চাঁদের মতো দেখতে বিরাট ছাতা ছাড়া ঘরের বাইরে যেতেন ই না।
পি/ব
No comments:
Post a Comment