দেবশ্রী মজুমদারঃ যিনি ভালো রাঁধুনী, তিনি জানেন ম্যারিনেড পদ্ধতি জানেন। রন্ধন প্রণালীতে প্রায় বলা হয়, ম্যারিনেট ফুড। অর্থাৎ খাবারকে ম্যারিনেড পদ্ধতিতে রাখলে খাবার সুস্বাদু হয়।
যেহেতু জন্মাষ্টমী তিথি পড়ে গেছে। তাই নিরামিষ খাবারের প্রসঙ্গে বলাই ভালো। বিভিন্ন খাবারের জন্য ম্যারিনেড পদ্ধতি বিভিন্ন সময়ের। গাজর, টমাটো এসবের জন্য এক ঘন্টা ম্যারিনেডে রাখতে হবে। এখন প্রশ্ন এই ম্যারিনেড পদ্ধতি কি?
কিছুই না! যে সবজির পদ আপনি করতে চান, তা আসিড বা টক জাতীয় (অম্ল ধর্মী) উপাদান যেমন ভিনিগার বা লেবু যার মধ্যে সাইট্রিক আসিড আছে তাতে সিক্ত করে রাখা। এই আসিড সাহায্য করে খাদ্য উপাদানে ফ্লেইভা যোগ করে। একে বলে ম্যারিনেট করা। আর গোটা পদ্ধতির নাম ম্যারিনেড।
যেহেতু রান্না ঘরের তাপমাত্রা একটু বেশি তাই, তাকে রেফ্রিজারেটা(র)তে রাখা হয়। আর এই ঠাণ্ডা খাবারকে গরম করে রান্না করা হয়, সেইহেতু স্বাস্থ্যের কোন সমস্যা হয় না। তবে রেফ্রিজারেটা(র) থেকে বের করে কোন খাবার সঙ্গে সঙ্গে খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো নয়।
এখন জানার, কোন খাবারের ক্ষেত্রে কত সময় লাগবে ম্যারিনেড পদ্ধতিতে। গাজর ও টমাটো তো আগেই বলেছি। ব্রকোলির ক্ষেত্রে আধ ঘণ্টা সময় লাগে। টফোর ক্ষেত্রে একটু বেশি সময় লাগে। ধরুন আধা ঘন্টা থেকে পঁয়তাল্লিশ মিনিট। এই টফো আসলে সয় বিনসের জমাট দই থেকে তৈরি। প্রোটিন আছে। কিন্তু ফ্যাট একদম নেই। একে মাংসের পরিপূরক খাদ্য বলা হয়।
তাহলে আর দেরি কেন? জন্মাষ্টমী উপলক্ষে চিলি টফো বানিয়ে জিভের স্বাদ পাল্টে নিন!
পি/ব
No comments:
Post a Comment