শীতকালে চারপাশে যেন নানা রঙের মজাদার বাহারী শাক-সবজি আর ফল-ফলাদির পসরা বসে। শুধু তাই নয় এই সময় অনেক গৃহস্থালি বাড়ির টবে অথবা বাগানে টমেটো, সিম, লাউ শাকের মতো বিভিন্ন শাক সব্জির গাছও লাগিয়ে থাকে। এইসব ফলমূল, শাক-সবজি যে শুধু দেখতেই সুন্দর তা কিন্তু নয়, ভিটামিন, মিনারেলে ভরপুর। শীতের বাজারে গাজর তেমন একটি সবজি।
যার পুষ্টিগুণ সম্বন্ধে আমরা কমবেশি তো জানি, কিন্তু এটি শরীরে যে কত উপকারী তা অনেকেরই অজানা।একটি গাজরে কি কি ভিটামিন আছে বা তাঁর উপকারই বা কিভাবে আমরা পেতে পারি তা আজ আমরা জানবো। শীতের সুস্বাদু ও পুষ্টিকর শাক-সবজির মধ্যে অন্যতম পুষ্টিকর সবজি হচ্ছে গাজর। গাজরে রয়েছে থায়ামিন, নিয়াসিন, ভিটামিনবি৬, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এর মতো কিছু গুরুত্বপুর্ন উপাদান যা স্বাস্থ্যের পক্ষে অনেক জরুরী। আমাদের দেহকে সুস্থ সবল রাখতে ফাইবার, ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়ামের মতো সব ভিটামিন ও খনিজ রয়েছে গাজরে।
গাজর হচ্ছে সর্বগুণে সম্পন্ন একটি সবজি। ভিটামিন এ চোখের সুরক্ষায় কাজ করে। আর গাজর ভিটামিন এ তে সমৃদ্ধ তাই, চোখের সুরক্ষায় গাজর খুব উপকৃত। এতে থাকা বিটা ক্যারোটিন আমাদের রাতকানা রোগ থেকে মুক্ত করে। গাজর একটি ডিটক্স খাদ্য হিসেবে পরিচিত। ডিটক্স খাদ্য সমূহ লিভার সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। দাঁতের স্বাস্থ্য রক্ষায় গাজরের গুরুত্ব অনেক বেশি। গাজর খেলে দাঁত পরিষ্কার হয়। দাঁতে জমে থাকা প্লাক দূর হয়।প্রতিদিন একটি গাজর খেলে মাড়ি ও দাঁতের সমস্যা দূর হয়। এক সমীক্ষায় জানা গেছে, গাজর ফুসফুসের ক্যান্সার, স্তন ক্যান্সার ও কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। গাজর চামড়ার ক্যান্সারও প্রতিরোধ করে।
গাজর খেলে মুখে বয়সের ছাপ ধীরগতিতে আসে। সপ্তাহে ৬টি গাজর চেহারার বয়সের ছাপ দূর করে । গাজর খেলে ত্বকে পটাশিয়ামের অভাব দূর হবে এবং ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে।চুল পড়া রোধে গাজরে থাকা ভিটামিন ও মিনারেল কার্যকর। গাজর চুল পড়া কমায়, চুলকে শক্ত ও মজবুত করে। গর্ভবতী মা ও শিশুর জন্য গাজর খুব ভালো সবজি। গাজরের রসে শিশুর জন্ডিস হওয়ার ঝুঁকি কমে।যাঁরা দীর্ঘদিন পেটের সমস্যায় যারা ভুগছেন তাঁরা গাজরে সমাধান খুঁজতে পারেন, এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করারও ভালো ওষুধ। আবার বেশি ক্যালরিও যোগ হবে না শরীরে। তাই ওজন কমাতে বেশি বেশি গাজর খেতে পারেন.
যার পুষ্টিগুণ সম্বন্ধে আমরা কমবেশি তো জানি, কিন্তু এটি শরীরে যে কত উপকারী তা অনেকেরই অজানা।একটি গাজরে কি কি ভিটামিন আছে বা তাঁর উপকারই বা কিভাবে আমরা পেতে পারি তা আজ আমরা জানবো। শীতের সুস্বাদু ও পুষ্টিকর শাক-সবজির মধ্যে অন্যতম পুষ্টিকর সবজি হচ্ছে গাজর। গাজরে রয়েছে থায়ামিন, নিয়াসিন, ভিটামিনবি৬, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এর মতো কিছু গুরুত্বপুর্ন উপাদান যা স্বাস্থ্যের পক্ষে অনেক জরুরী। আমাদের দেহকে সুস্থ সবল রাখতে ফাইবার, ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়ামের মতো সব ভিটামিন ও খনিজ রয়েছে গাজরে।
গাজর হচ্ছে সর্বগুণে সম্পন্ন একটি সবজি। ভিটামিন এ চোখের সুরক্ষায় কাজ করে। আর গাজর ভিটামিন এ তে সমৃদ্ধ তাই, চোখের সুরক্ষায় গাজর খুব উপকৃত। এতে থাকা বিটা ক্যারোটিন আমাদের রাতকানা রোগ থেকে মুক্ত করে। গাজর একটি ডিটক্স খাদ্য হিসেবে পরিচিত। ডিটক্স খাদ্য সমূহ লিভার সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। দাঁতের স্বাস্থ্য রক্ষায় গাজরের গুরুত্ব অনেক বেশি। গাজর খেলে দাঁত পরিষ্কার হয়। দাঁতে জমে থাকা প্লাক দূর হয়।প্রতিদিন একটি গাজর খেলে মাড়ি ও দাঁতের সমস্যা দূর হয়। এক সমীক্ষায় জানা গেছে, গাজর ফুসফুসের ক্যান্সার, স্তন ক্যান্সার ও কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। গাজর চামড়ার ক্যান্সারও প্রতিরোধ করে।
গাজর খেলে মুখে বয়সের ছাপ ধীরগতিতে আসে। সপ্তাহে ৬টি গাজর চেহারার বয়সের ছাপ দূর করে । গাজর খেলে ত্বকে পটাশিয়ামের অভাব দূর হবে এবং ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে।চুল পড়া রোধে গাজরে থাকা ভিটামিন ও মিনারেল কার্যকর। গাজর চুল পড়া কমায়, চুলকে শক্ত ও মজবুত করে। গর্ভবতী মা ও শিশুর জন্য গাজর খুব ভালো সবজি। গাজরের রসে শিশুর জন্ডিস হওয়ার ঝুঁকি কমে।যাঁরা দীর্ঘদিন পেটের সমস্যায় যারা ভুগছেন তাঁরা গাজরে সমাধান খুঁজতে পারেন, এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করারও ভালো ওষুধ। আবার বেশি ক্যালরিও যোগ হবে না শরীরে। তাই ওজন কমাতে বেশি বেশি গাজর খেতে পারেন.

No comments:
Post a Comment