বিহারের বৈশালীতে একসঙ্গে প্রায় হাফডজন লোক নিয়ে ১৯ বছরের নববিবাহিত যুবতীকে ধর্ষণের চেষ্টা করতে এলে মেয়ের সম্মান বাঁচাতে রুখে দাঁড়ানোয় মা (৪৯)।মা এবং তাঁর মেয়েকে শাস্তিস্বরূপ মাথা মুড়িয়ে দেওয়া হয়।ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে ঘটনাটির ভিডিও। আর এরপরই নড়েচড়ে বসেছে পুলিস প্রশাসন। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ওয়ার্ড কাউন্সিলরের নাম মহম্মদ খুরশিদ। তিনি ও তাঁর সঙ্গীরা ওই দুই মহিলাকে মারধর করেন, তাঁদের মাথা মুড়িয়ে দেয়।
ইতিমধ্যে বৃহস্পতিবার এই ঘটনায় অভিযুক্ত কাউন্সিলর–সহ এক নাপিত এবং আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। ভগবানপুর থানার স্টেশন হাউস অফিসার সঞ্জয় কুমার ঘটনাটি প্রসঙ্গে জানান, আপাতত গোটা ঘটনাটির তদন্ত চলছে। তিনি জানান, ঘটনার দিন প্রায় ছ’জন মিলে নিগৃহীতাদের বাড়িতে ঢুকে পড়ে এবং মেয়েটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এরপরই মহিলা তাঁর মেয়েকে উদ্ধার করার চেষ্টা করেন।
রুখে দাঁড়ান। তারপরই দু’জনের উপর হামলা চালায় অভিযুক্তরা। তাদের মধ্যে একজন দু’জনকে লাঠি দিয়ে মারধর করে। এরপর দু’জনকে বাড়ির বাইরে নিয়ে এসে শালিশি সভা বসানো হয়। তারপর খুরশিদ সেখানে একজন নাপিতকে ডাকতে বলে এবং মা-মেয়ের মাথা মুড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। শেষে মা–মেয়েকে গ্রাম জুড়ে ঘোরানো হয়। আক্রান্ত যুবতী জানান, ‘প্রায় সাড়ে ছ’টা নাগাদ হাফ ডজন লোক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে জোর করে আমার বাড়িতে ঢুকে পড়ে এবং আমাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে।
পি/ব
No comments:
Post a Comment