তিনি যখন মঞ্চে আসবেন তখন সবার নজর যে শুধু তাঁর দিকেই থাকবে সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না। হলোও তাই। তিনি এলেন, আর মুহূর্তে সকলের দিল জিতে নিলেন।
বিরহের গান, লিরিকসের প্রতিটি শব্দে রয়েছে বেদনা, কিন্তু তা সত্ত্বেও দু’মিনিট ধরে শুধুই প্রেম ছড়িয়ে গেলেন মাধুরী দীক্ষিত। কত্থকের নিপুণ স্টেপস, শ্রেয়া ঘোষালের সুমধুর কণ্ঠ, মাধুরী দীক্ষিতের অনন্য এক্সপ্রেসন আর মন ছুঁয়ে যাওয়া লিরিকসে ‘তবাহ হো গয়ি’ গানে আবারও বাজিমাত করলেন প্রীতম চক্রবর্তী। রিমেকের বাজারেও বঙ্গ তনয়ের এ হেন পরিচালনা ‘বাহ’ বলতে বাধ্য করবে আপনাকে।
সরোজ খানের সঙ্গে মাধুরী দীক্ষিতের যে একটা আলাদা রসায়ন রয়েছে তা এর আগেও দেখেছে বলিউড। ‘এক দো তিন’, ‘ধক ধক করনে লাগা’ কিংবা ‘মার ডালা’ সবেতেই ছিল মাধুরী ম্যাজিক। তবে এ বার যেন সবকিছুকে ছাপিয়ে গেলেন তিনি। নিজেই ভাঙলেন নিজের সব রেকর্ড। দেবদাসের সঙ্গে বিলাসবহুল সেটের খানিক মিল রয়েছে বটে। দুই ছবিতেই দেখা গিয়েছে কত্থকে মাধুরী দীক্ষিতের নিপুণতা। তবে তুলনা টানছেন না কেউ। কারণ ‘কলঙ্ক’ ছবিতে মাধুরীর মাধুর্য্যে মুগ্ধ জনগণ। লুকস থেকে এক্সপ্রেসন, সবেতেই ১০০ তে ১০০।
‘কলঙ্ক’ ছবির প্রথম গান ‘ঘর মোরে পরদেসিয়া’-তে বাহার বেগমের চরিত্রে মাধুরী দীক্ষিতের ঝলক দেখেই দর্শকরা আন্দাজ করেছিলেন নতুন ছবিতে আগুন ঝরাবেন বি-টাউনের ‘মোহিনী’। দর্শকের অনুমান মিথ্যে হয়নি। ‘তবাহ হো গয়ি’-তে সোলো পারফরম্যান্সে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন মাধুরী। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন সরজ খানের সঙ্গে তাঁর কেমিস্ট্রির কথা। মাধুরী বলেন, “সরোজজি জানেন, একজন নারীকে কী ভাবে স্ক্রিনে সবচেয়ে সুন্দর দেখতে লাগবে। নাচের প্রতিটি স্টেপসে নিখুঁত এক্সপ্রেশন ওঁর দক্ষতা। সেই জন্যেই বোধহয় এখনও আমাদের গানে জেন ওয়াই নাচ করতে পছন্দ করে। নিশ্চয় আমরা দু’জন সকলের ভালোলাগার কাজই করেছি।“
এ বারও যে সরোজ-মাধুরীর কেমিস্ট্রি সকলের মন ছুঁয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সঙ্গে যোগ্য সঙ্গত দিয়েছেন কোরিওগ্রাফার রেমো ডিসুজা। আর মনীশ মালহোত্রার ডিজাইন করা লাল-সোনালি লেহেঙ্গায় মাধুরীকে লাগছে মোহময়ী। পলক ফেলতে পারবেন না কেউই। কে বলবে মাধুরী পঞ্চাশ পেরিয়েছেন!
from ap bangla | অ্যানালিটিক্যাল প্রেস | Analytical Press | http://bit.ly/2EFeTmC

No comments:
Post a Comment