কদিন আগেই তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু জানিয়েছিলেন তিনি ক্যানসার মুক্ত। এ বার মুখ খুললেন স্বয়ং ঋষি কাপুর। জানালেন, সত্যিই ক্যানসার মুক্ত হয়েছেন তিনি। তবে বাকি রয়েছে বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট। সেটা শেষ হতে এখনও মাস দুয়েক সময় লাগবে। তারপরেই দেশে ফিরবেন বি-টাউনের বর্ষীয়ান অভিনেতা ঋষি কাপুর।
গত বছর সেপ্টেম্বরেই নিউ ইয়র্কে পাড়ি দেন ঋষি। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দিয়ে লেখেন, কয়েকদিনের জন্য শ্যুটিং ফ্লোর থেকে বিদায় নিচ্ছেন। চিকিৎসার জন্য পাড়ি দিচ্ছেন বিদেশে। ঋষির কী অসুখ হয়েছিল তখন অবশ্য তা জানা যায়নি। এমনকী মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন গোটা কাপুর খানদান। তবে গুজব রটতে বেশি সময় লাগেনি। মুহূর্তেই বলিউডের অন্দরমহলে ছড়িয়ে পড়েছিল ‘ক্যানসার হয়েছে ঋষির’। পরে অবশ্য বোঝা যায় গুজব নয়, সত্যিই অসুস্থ হয়েছিলেন তিনি।
তবে এখন তিনি ‘ক্যানসার ফ্রি’। জানিয়েছেন, “প্রায় আট মাস আমার চিকিৎসা চলেছে। আমার মতো একজন অধৈর্য মানুষের পক্ষে লড়াইটা সহজ ছিল না। ধন্যবাদ আমার পরিবার এবং অনুরাগীদের যাঁরা সবসময় আমার পাশে ছিলেন। ওঁদের প্রার্থনা আর ভালোবাসাতেই আমি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছি।“ ঋষি জানিয়েছেন, ক্যানসারের বিরুদ্ধে এই কঠিন লড়াইয়ের তাঁকে পাহাড়ের মতো ঢাল হয়ে সবসময় সবকিছু থেকে রক্ষা করেছেন স্ত্রী নীতু। আর রণবীর এবং ঋদ্ধিমা ছিলেন সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য তাঁর ইন্সপিরেশন। তাঁর কথায়, “নীতু আমার খাওয়াদাওয়ার ব্যাপারে ভীষণ খেয়াল রাখত। আর আমার ছেলেমেয়ে তো কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আমার সঙ্গে লড়াইটা লড়েছে। ঋদ্ধিমা মাঝে মাঝেই নিউ ইয়র্ক এসে আমার সঙ্গে দেখা করে যেত।“ তবে শুধু পরিবার নয়, নিজের ফ্যানদের কথাও বারবার বলেছেন ঋষি। ধন্যবাদও জানিয়েছেন সকলকেই।
পরিচালক অরুণ রউলি তাঁর ফেসবুক পেজে জানিয়েছিলেন যে ঋষি কাপুর ক্যানসার মুক্ত হয়েছেন। প্রবীণ পরিচালক লেখেন, “চিন্টু এখন ক্যানসার ফ্রি। ও নিজেই ফোন করে সুখবরটা আমায় জানিয়েছে। কিছু ফলো আপ ট্রিটমেন্ট সেরে খুব জলদিই দেশে ফিরবে ঋষি।“ একই কথা জানিয়েছেন, ঋষি কাপুরের দাদা রণধীর কাপুরও। মেয়ে ঋদ্ধিমা অবশ্য খোলসা করে কিছু না বললেও জানিয়েছিলেন যে তাঁর বাবা ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছেন।
from ap bangla | অ্যানালিটিক্যাল প্রেস | Analytical Press | http://bit.ly/2Wyiay4

No comments:
Post a Comment