এই গরমে তো বাড়িতে পাতা টক দই খাচ্ছেন। সেই সঙ্গে আম, লিচু, কলা, শসা, তরমুজও রয়েছে পাতে। অনেকেই আবার প্রতিদিন স্রেফ পান্ত ভাতেই দিন চালাচ্ছেন। যাঁরা আবার একটু সচেতন তাঁদের ভরসা ছাতুর শরবত বা ওই দই চিঁড়ে। তবে এই গরমে যেন ক্লান্তিই যাবতীয় খিদেকে মেরে ফেলেছে। কিন্তু শরীর সুস্থ রাখতে প্রতিদিন জল আর ফল তো খেতেই হবে। বিশেষত এই গরমে। বাজার চলতি দই বা বাড়িতে পাতা দই নিশ্চয় খাচ্ছেন। সঙ্গে চিঁড়ে বা মুড়ি। এবার দুপুরের পেট ভরান স্রেফ ইয়োগার্ট আর ফলে। দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে নিন আম,কলা,আপেল বা পছন্দের ফল। একবাটি প্রাণ ভরে খান। উপকার তো পাবেন, সঙ্গে ওজনও কমবে। এছাড়াও সুগার, প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকবে। মেয়েদের মাসিক সংক্রান্ত সমস্যাতেও ভালো ফল দেবে। টকদইয়ের মধ্যে থাকা ক্যালসিয়াম শরীরে পুষ্টি দেবে। আর কলার পটাশিয়াম, আমের প্রোটিন শরীর সুস্থ রাখবে ও ত্বকের জেল্লা বাড়াবে।
টক দইয়ের উপকারিতা
- এতে আছে প্রচুর পরিমান ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি, যা হাড় ও দাঁতের গঠনে সহায়ক। মহিলাদের টক দই বেশী প্রয়োজন,কেননা তারাই ক্যালসিয়ামের অভাবে বেশী ভোগেন।
- .টক দইয়ের ব্যাকটেরিয়া অত্যন্ত উপকারী,এটা শরীরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলে এবং উপকারী ব্যাকটেরিয়া বাড়িয়ে হজম শক্তি বৃদ্ধি করে
- টক দইয়ে আছে ল্যাকটিক অ্যাসিড,যা কোষ্টকাঠিন্য দুর করে ও ডায়রিয়া প্রতিরোধ করে। এটি কোলন ক্যানাসার রোগীদের খাদ্য হিসাবে উপকারী
- যারা দুধ খেতে পারেন না বা দুধ যাদের হজম হয় না, তারা অনায়াসেই টক দই খেতে পারেন। কারন টক দইয়ের আমিষ দুধের চেয়ে সহজে ও কম সময়ে হজম হয়
- আমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, পাকা আমের তুলনায় কাঁচা আমে ভিটামিনসি এর পরিমাণ বেশি।
- আমে বেটাক্যারোটিন, ভিটামিন ই এবং সেলেনিয়াম থাকায় হার্টের সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে।
- আমের মধ্যে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা বিভিন্ন রকম ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে, যেমন, স্তনক্যান্সার, লিউকেমিয়া, কোলনক্যান্সার, প্রোস্টেটক্যান্সার ইত্যাদি।
পছন্দের সব ফল কেটে নিয়ে একবাটি দইয়ের মধ্যে ভালো করে মিশিয়ে ফেলুন। উপর থেকে মধু ছড়িয়ে পরিবেশন করুন। তবে ফল আগে থেকে কেটে রাখবেন না সঙ্গে সঙ্গে বানিয়েই খান।
from ap bangla | অ্যানালিটিক্যাল প্রেস | Analytical Press | http://bit.ly/2JIMTmd

No comments:
Post a Comment