দলীয় কার্যালয় পুনরুদ্ধার করতে গিয়ে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের হাতে ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে পড়লেন তৃনমূল কংগ্রেসের কোচবিহার জেলা সভাপতি তথা উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। বিভিন্ন জায়গায় তাঁকে কালো পতাকা দেখানো হয়। আর সেই রেশ গিয়ে পড়লো পুলিশের গাড়ির ওপর।দুই দলের সংঘর্ষে জেরে ভাঙ্গা হলো পুলিশের গাড়ি। স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ,উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে অত্যাচার করেছে। তাই মানুষ আজকে রুখে দাঁড়িয়েছে।আজ সকালে নিজের বিধানসভা কেন্দ্র নাটাবাড়ির বিভিন্ন এলাকায় যান রবীন্দ্রনাথ বাবু। প্রথমে ডাউয়াগুড়ি এলাকায় গিয়ে তাঁকে বিক্ষোভ দেখানো হয়। গাড়ি থেকে নেমে সেই বিক্ষোভকারীদের সামনা সামনি চলে গেলে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়।
মন্ত্রীর সাথে কথা কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন বিজেপি কর্মীরা। সেখান থেকে মারুগঞ্জ এলাকায় যেতেই সেখানেও কালো পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে যান বিজেপি কর্মীরা। সেই সময় পুলিশ লাঠি চার্জ করে অভিযোগ। এরপরেই বিজেপি কর্মীরা মারুগঞ্জ মোড় এলাকায় কোচবিহার- তুফানগঞ্জ রাস্তা অবরোধ করে। ফলে যানবাহন চলাচল কিছুক্ষনের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। মারুগঞ্জের পড়ে চিলাখানা, দেওচরাই, কৃষ্ণপুর সহ বেশ কিছু এলাকায় যান রবীন্দ্রনাথ বাবু। বিভিন্ন জায়গায় রাস্তায় দাড়িয়ে থাকা বিজেপি কর্মীরা তাঁকে কালো পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ দেখান। অনেক জায়গায় মন্ত্রীকে বলতে দেখা যায়, “আপনাদের পার্টি আপনারা করুন। আমাদের পার্টি করবো। আমরা উন্নয়ন করেছি, আরও করবো। আপনারা ভোটে জিতেছেন। উন্নয়ন করে দেখান।”
পরে মন্ত্রী বলেন, “নাটাবাড়ি আমার নিজের বিধানসভা এলাকা, প্রত্যেকটি মানুষকে আমি ভালোভাবে চিনি। আজ যারা কালো পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিল। তাদের মধ্যে বিজেপির লোক খুব কম। বেশীর ভাগ সিপিএমের লোকজন। সিপিএম বিজেপিকে সামনে রেখে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করছে। এদের মোকাবিলা করতে আমরা জানি।” বিজেপি অবশ্য পাল্টা অভিযোগ করে জানিয়েছে, তৃনমূলরাই তাদের কর্মী সমর্থকদের উপড়ে হামলা করছে। মানুষ রুখে দাড়িয়ে প্রতিহত করছে।

No comments:
Post a Comment