উত্তর ২৪ পরগনা: 'মতুয়াদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে, তাই পাঁচ বিধায়ক গ্রুপ ছাড়লেন,তাদের স্বাগত তৃণমূল দলে', এমনটাই বললেন বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।
রবিবার সন্ধ্যা নাগাদ অশোকনগর নাট্য উৎসবে যোগদান করেন রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এবং রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পাঁচ বিধায়কের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়া নিয়ে বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জানান, 'যথার্থ বুঝতে পেরেছেন তাই তারা গ্রুপ ছেড়েছেন।যোগাযোগ করলে তাদের সুস্বাগত দলে। বিজেপি মতুয়াদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তা কোনও কিছু পালন করেননি, তাই মতুয়ারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে গেছে। মতুয়াদের সাথে প্রতারণা করা হয়েছে। সেই জন্য মতুয়া বিধায়ক যারা আছেন তারা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে বেরিয়ে গেলেন।'
বনমন্ত্রী আরও বলেন, 'বিজেপির রাজনৈতিক দলের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি, মুখে মারিতাং জগত। তাই এই দলটিকে ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নে শরিক হাওয়ার আর্জি জানিয়েছেন মন্ত্রী। মতুয়াদের জন্য কেউ করেনি যদি কেউ করে থাকে তার নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বড়মাকে দেখতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঠাকুরবাড়িতে ১৪ বার এসছিলেন। শরীর খারাপ হলে ৯ বার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বড়মা, আর ভর্তি করিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মা-মেয়ের সম্পর্ক ছিল বড়মা এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসেছিলেন, শুধু মুখে মারিতাং জগৎ। মিথ্যা,অসত্য কথা আর অসভ্য কথা বলা ছাড়া আর কিছুই নেই এই দলটির। প্রত্যেকটি পৌর নির্বাচনে বিজেপি শূন্য হবে', এমনটাই জানান হাবড়ার বিধায়ক তথা রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।
পাশাপাশি এদিন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ জানান, 'এটা ভারতীয় জনতা পার্টির নিজস্ব ব্যাপার। এর পেছনে কি রয়েছে, তা বলতে পারব না। তবে এতদিন পর্যন্ত একরকম বলতেন। বিভিন্ন নেতাদের বাদ দিলেন, তাই এই নেতারা বিভিন্ন দাবী-দাওয়া করেছিলেন তাই এদের বাদ দেওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে গ্রুপ ছেড়ে দিয়েছেন।'
No comments:
Post a Comment