স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনেক সময় পরিবেশে উপস্থিত ভুল খাবার, ওষুধ ও বিষাক্ত উপাদান কিডনির ওপর খারাপ প্রভাব ফেলে। তাই কিডনিতে পাথর তৈরি হলে কিডনি ক্যান্সার ও পলিসিস্টিক কিডনি রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
অনেক সময় এই সমস্যা কিডনি বিকলও হতে পারে। এই সমস্যাগুলি এড়াতে, আমাদের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এ জন্য খাদ্য ও পানীয়ের প্রতি আরও মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন।
কিডনি কি কাজ করে?
কিডনি প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে বর্জ্য বের করার কাজ করে। কিডনির সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রাথমিক অবস্থায় তাদের খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে। কিন্তু কিছু মানুষের সমস্যা শেষ পর্যায়ে পাওয়া যায়, এমন অবস্থায় তাদের ডায়ালাইসিস করাতে হয়।
কিডনি সমস্যার প্রাথমিক লক্ষণ:
শরীর ফুলে যাওয়া
শরীরে জ্বালপোড়া করা
চামড়ায় ফুসকুড়ি
প্রস্রাব করতে অসুবিধা
বিরক্তি
ক্ষুধামান্দ্য
কিডনি ক্ষতিকারক খাবার
অ্যালকোহল:- দেশের বিখ্যাত আয়ুর্বেদ চিকিৎসক আবরার মুলতানি বলেছেন, অতিরিক্ত অ্যালকোহল পান করলে কিডনির ক্ষতি হতে পারে। অতিরিক্ত অ্যালকোহল পানের ফলে কিডনির সমস্যা হতে পারে, যা আপনার মস্তিষ্ককে প্রভাবিত করতে পারে। অ্যালকোহল শুধুমাত্র আপনার কিডনিই নয়, অন্যান্য অঙ্গেরও ক্ষতি করতে পারে।
কফি:- কফিতে ক্যাফেইন বেশি থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে যে ক্যাফেইনযুক্ত খাবারের অত্যধিক ব্যবহার দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগের কারণ হতে পারে। একইভাবে, যারা প্রচুর কফি পান করেন তাদের কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
লবণ:- লবণে পটাশিয়ামের পাশাপাশি সোডিয়াম থাকে, ফলে শরীরে তরলের পরিমাণ ঠিক থাকে, কিন্তু খাবারে লবণ খেলে তরলের পরিমাণ বেড়ে যায়, যাতে কিডনির ওপর বেশি চাপ পড়ে এবং তাদের ক্ষতি হতে পারে।
লাল মাংস:- লাল মাংসে প্রোটিনের পরিমাণ বেশি, পেশির বৃদ্ধির জন্য প্রোটিন প্রয়োজনীয়, কিন্তু এর বিপাক খুব কঠিন, যা কিডনির ওপর বেশি চাপ দেয়। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই প্রোটিন প্রোটিন কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।
কৃত্রিম মিষ্টি: বাজারে পাওয়া মিষ্টি, কুকিজ এবং পানীয়গুলিতে কৃত্রিম সুইটনার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়, যা কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। ডায়াবেটিস রোগীদের কিডনি সংক্রান্ত রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এই ধরনের লোকদের কখনই এটি ব্যবহার করা উচিৎ নয়।
বি.দ্র: এই নিবন্ধে দেওয়া তথ্য সাধারণ জ্ঞানের ওপর ভিত্তি করে। প্রেসকার্ড নিউজ এসব নিশ্চিত করে না। এগুলো বাস্তবায়নের আগে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ করুন। এই সংবাদ সম্পর্কিত প্রশ্নের জন্য, কমেন্ট করে আমাদের জানান এবং এই ধরনের খবর পড়তে আমাদের সাইটটি অনুসরণ করতে ভুলবেন না - ধন্যবাদ
No comments:
Post a Comment