পটাসিয়াম আমাদের শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। আসুন দেখে নেই কিভাবে প্রাকৃতিক উপায়ে এই পটাসিয়াম আমরা পেতে পারি।
টমেটো:
টমেটোতে প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম রয়েছে, তাই এটি খেতে থাকুন এবং সবসময় এটিকে আপনার ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করুন যাতে আপনি সুস্থ থাকতে পারেন। ভিটামিন-সি, ফোলেট, ভিটামিন-কে এবং পটাসিয়ামের মতো অনেক পুষ্টি উপাদান এতে পাওয়া যায়, যা ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, ওজন কমাতে সাহায্য করে।
কিশমিশ:
কিশমিশ পটাসিয়ামের একটি ভালো উৎস এবং এতে ক্যালোরিও কম। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে কিশমিশ খেলে এক ডজনেরও বেশি রোগ প্রতিরোধ হয়। আপনার যদি কোষ্ঠকাঠিন্য, অ্যাসিডিটি এবং ক্লান্তির সমস্যা থাকে তবে এটি খুব উপকারী প্রমাণিত হতে পারে।
তরমুজ:
এই ফলটিতে প্রচুর পরিমাণে জল রয়েছে, তাই আপনার শরীরে জলের অভাব হয় না। এর পাশাপাশি তরমুজে প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম পাওয়া যায়। হার্ট সংক্রান্ত রোগ প্রতিরোধেও তরমুজ একটি প্রতিষেধক। প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেল থাকায় এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও ভালো রাখে।
আলু:
আপনি প্রতিটি বাড়িতে আলু পাবেন এবং এটি সবচেয়ে পছন্দেরও। আলু ভিটামিন বি৬, বি৩- এর একটি ভালো উৎস। আপনি যদি মাখন বা ক্রিম ইত্যাদি দিয়ে আলু খান, তাহলে অবশ্যই তাদের পটাসিয়ামের অর্ধেক কমে যাবে, তাই আপনি যখনই আলু খাবেন, ব্রকলির মতো সবজি দিয়ে খাবেন, এতে আপনার বেশি উপকার হবে।
লাল আঙ্গুর :
লাল আঙ্গুর শুধু সুস্বাদুই নয়, অনেক পুষ্টিও জোগায়। আঙ্গুর হল ভিটামিন সি এর ভান্ডার। এতে ফ্ল্যাভোনয়েড নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা প্রদাহ কমাতে সহায়ক। উপরন্তু, লাল আঙ্গুরে রেভেরাট্রল বেশি থাকে, এক ধরনের ফ্ল্যাভোনয়েড যা হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য।
অ্যাভোকাডো:
অ্যাভোকাডো পটাশিয়ামের একটি ভালো উৎস। শুধু পটাসিয়াম নয় এই ফলটি ভিটামিন এ, সি এবং ই সমৃদ্ধ। এটি আপনার কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতেও অনেক সাহায্য করে। তাই এই ফলটি আপনার খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
রসুন:
কিডনি সমস্যাযুক্ত ব্যক্তিদের তাদের খাবারে লবণ সহ সোডিয়ামের পরিমাণ সীমিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়। রসুন লবণের একটি সুস্বাদু বিকল্প প্রদান করে। পুষ্টিগুণ ছাড়াও, এটি খাবারে স্বাদ যোগ করে।
No comments:
Post a Comment