হাজার বছর ধরে মানুষ পিপল/অশ্বত্থ গাছের পূজা করে আসছে। পৃথিবীর সমস্ত গাছের মধ্যে এটিই একমাত্র গাছ যা সবচেয়ে বেশি অক্সিজেন নির্গত করে। ২৪ ঘণ্টা অক্সিজেন দেওয়ার পাশাপাশি অনেক রোগ থেকেও রক্ষা করে এই গাছ। পিপল/অশ্বত্থ গাছের শুকনো ফল, শিকড় এমনকি বীজও আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী।
আসুন আপনাদের বলি এর অসংখ্য উপকারিতা সম্পর্কে………
ঠাণ্ডা ও ফ্লু:
হালকা গরম জলে এর পাতার গুঁড়ো সামান্য চিনি মিশিয়ে পান করলে সর্দি ও ফ্লু সেরে যায়। কেউ যদি অনেক বছর ধরে সর্দি-কাশিতে ভুগে থাকে তবে এই ওষুধ খেলে সে আরোগ্য লাভ করে।
ক্ষত সারায়:
ক্ষত দ্রুত সারাতে পিপল/অশ্বত্থ পাতা গরম করে ক্ষতস্থানে লাগান। এটি ক্ষত থেকে আরাম দেবে এবং শীঘ্রই নিরাময় শুরু করবে।
গোড়ালি নরম করে:
ফাটা গোড়ালিতে পিপল/অশ্বত্থ পাতার দুধ লাগালে গোড়ালি নরম ও স্বাভাবিক হয়।
রক্তক্ষরণ:
গরমে প্রায়ই নাক দিয়ে রক্ত পড়ার সমস্যা হয়। এমন অবস্থায় পিপল/অশ্বত্থের তাজা পাতার রস বের করে নাকে ফোঁটা ফোঁটা করে দিন, এতে নাক দিয়ে ক্রমাগত রক্ত পড়া বন্ধ হবে এবং নাক দিয়ে রক্ত পড়ার সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে।
বলিরেখা:
পিপল/অশ্বত্থ গাছের শিকড় জলে ভিজিয়ে পিষে মুখে লাগান। শুকানোর পর মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি নিয়মিত লাগালে বয়স বাড়ার কারণে মুখের বলিরেখা দূর হয়।
দাদ ও চুলকানি:
দাদ ও চুলকানি থেকে মুক্তি পেতে পিপলের/অশ্বত্থের ৪ টি পাতা চিবিয়ে খান। যদি আপনি এটি করতে না পারেন তবে এই গাছের বাকলের একটি ক্বাথ তৈরি করে দাদ এবং চুলকানির জায়গায় লাগান।
পেট ভালো করে:
কোষ্ঠকাঠিন্য, গ্যাস ও পেটের ব্যথা ইত্যাদি সমস্যা দূর করতে সকাল-সন্ধ্যা তাজা পিপল/অশ্বত্থ পাতার রস পান করুন। এই রস পান করলে বাত ও পিত্তও সেরে যায়।
হাঁপানি:
হাঁপানি রোগীদের জন্য পিপল/অশ্বত্থ আশীর্বাদের চেয়ে কম নয়। এই গাছের বাকলের ভেতরের অংশ তুলে শুকিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে মিহি গুঁড়ো করে জল দিয়ে হাঁপানি রোগীকে খাওয়ান। খুব শীঘ্রই উপকার পাবেন ।
No comments:
Post a Comment