নিউমোনিয়া একটি সংক্রামক রোগ,যা কাশি বা হাঁচির মাধ্যমে ছড়ায়। নিউমোনিয়ায়, ফুসফুসের ছোট থলি দূষিত তরল,পুঁজ দিয়ে পূর্ণ হয় যায়, যার ফলে শ্বাস নিতে অসুবিধা হয় এবং ধীরে ধীরে শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা হ্রাস পায়। এটি ৫ বছরের কম বয়সী শিশু, বয়স্ক, যে কোনও রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি এবং দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন লোকদের জন্য আরও বিপজ্জনক। শীতকালে ছোট বাচ্চাদের নিউমোনিয়া হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে।
আয়ুর্বেদ ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা নিউমোনিয়ার চিকিৎসার পাশাপাশি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারি। আমাদের রান্নাঘরে এমন অনেক জিনিস রয়েছে, যা আমাদের নিউমোনিয়া থেকে রক্ষা করে। এগুলি যদি আমরা সঠিক ভাবে আয়ুর্বেদিক পদ্ধতিতে ব্যবহার করি, তাহলে শিশুদের নিউমোনিয়া থেকে বাঁচানো যায়-
১.সরষের তেল:
সরষের তেলে কয়েক কোয়া রসুন গরম করে সেই তেল দিয়ে শিশুর বুকে মালিশ করলে নিউমোনিয়া থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
২.মধু:
মধুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিফাঙ্গাল, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য। যা কাশি এবং শ্লেষ্মা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে।
৩.হলুদ:
হলুদ রান্নাঘরের একটি সাধারণ মসলা, যার বিভিন্ন সংক্রমণ প্রতিরোধ করার বৈশিষ্ট্য রয়েছে। হলুদ অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং মিউকোলাইটিক হিসেবেও কাজ করে। এর ব্যবহার ব্রঙ্কিয়াল টিউব থেকে শ্লেষ্মা এবং পিত্ত অপসারণে সহায়তা করে। এটি দুধের সাথে বা চা হিসাবে খাওয়া যেতে পারে।
৪.মেথি:
মেথি জলে সিদ্ধ করে ছেঁকে নিয়ে তাতে কিছু পরিমান মধু মিশিয়ে দিনে দুই থেকে তিনবার পান করলে নিউমোনিয়ায় আরাম অনুভব হয়।
৫.আদা:
আদার মধ্যে রয়েছে প্রায় ২৫ ধরনের শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরের বিভিন্ন অংশে বিষাক্ত কণার বিরুদ্ধে লড়াই করে। গরম জলে আদার টুকরো মিশিয়ে বা আদার রস মিশিয়ে খেলে নিউমোনিয়া সংক্রমণও কমে যায়।
বি.দ্র: প্রতিবেদনে উল্লিখিত পদ্ধতি এবং দাবীগুলি প্রেসকার্ড নিউজ নিশ্চিত করে না। শুধুমাত্র পরামর্শ হিসাবে এগুলো গ্রহণ করুন। এই ধরনের কোনও চিকিৎসা/ঔষধ/খাদ্য অনুসরণ করার আগে একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন।
No comments:
Post a Comment