শেষ হল ৭ দিনের লড়াই, প্রয়াত হলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন বরুণ সিং - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, 15 December 2021

শেষ হল ৭ দিনের লড়াই, প্রয়াত হলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন বরুণ সিং


শেষ হল ৭ দিনের লড়াই। প্রয়াত হলেন সিডিএস-এর চপার দুর্ঘটনায় বেঁচে যাওয়া একমাত্র ব্যক্তি গ্রুপ ক্যাপ্টেন বরুণ সিং। ৮ ডিসেম্বর, তামিলনাড়ুর কুন্নু‌রে সিডিএস জেনারেল বিপিন রাওয়াতের হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়। এই দুর্ঘটনায় বিপিন রাওয়াত, তাঁর স্ত্রী সহ ১৩ জনের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় একমাত্র বরুণ সিং বেঁচে ছিলেন। বুধবার জীবনযুদ্ধে হেরে যান তিনি। ভারতীয় বায়ুসেনা ট্যুইট করে এই তথ্য জানিয়েছে।


আইএএফ ট্যুইট করে বলেছে, ভারতীয় বায়ুসেনা অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছে যে গ্রুপ ক্যাপ্টেন চিকিৎসা চলাকালীন আজ মারা গেছেন। ৮ ডিসেম্বর ২০২১-এ ঘটে যাওয়া সেই দুর্ঘটনায় তিনিই একমাত্র বেঁচে ছিলেন। এয়ারফোর্স অফিসাররা তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন এবং তার পরিবারের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছেন।


গ্রুপ ক্যাপ্টেন বরুণ সিং উত্তরপ্রদেশের দেওরিয়ার খোরমা কানহোলি গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। বেঙ্গালুরুর আর্মি হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছিল। বরুণ গ্রুপ ক্যাপ্টেন অভিনন্দন বর্ধমানের ব্যাচমেট ছিলেন। অভিনন্দন বর্তমান ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ সালে ভারতের সীমান্তে প্রবেশ করা পাকিস্তানি বিমানগুলিকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করিয়েছিলেন।

 

বরুণ সিংয়ের বাবাও সেনাবাহিনীতে ছিলেন

ক্যাপ্টেন বরুণ সিং দিল্লীতে জন্মগ্রহণ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল ৪২ বছর। তাঁর পিতা কৃষ্ণ প্রতাপ সিং সেনাবাহিনীতে কর্নেল হিসেবে অবসর গ্রহণ করেছিলেন। বরুণের ছোট ভাই তনুজ সিং মুম্বাইতে নৌবাহিনীতে আছেন। তার স্ত্রী গীতাঞ্জলি, তাদের একটি ছেলে রিদ রমন এবং একটি মেয়ে আরাধ্যা রয়েছে।


শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী

গ্রুপ ক্যাপ্টেন বরুণ সিংয়ের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। প্রধানমন্ত্রী মোদি ট্যুইট করেছেন, গ্রুপ ক্যাপ্টেন বরুণ গর্বিতভাবে জাতির সেবা করেছেন। তাঁর মৃত্যু সংবাদে শোকাহত। জাতির জন্য তার অসামান্য সেবা কখনও ভোলার নয়। তার পরিবার ও বন্ধুদের প্রতি সমবেদনা।



উল্লেখ্য, সংসদে দুর্ঘটনার তথ্য দিতে গিয়ে ৯ ডিসেম্বর প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেছিলেন যে, ৮ ডিসেম্বর ভারতীয় বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়, যেখানে সিডিএস জেনারেল বিপিন রাওয়াত উপস্থিত ছিলেন। জেনারেল বিপিন রাওয়াতের ওয়েলিংটনের ডিফেন্স সার্ভিস স্টাফ কলেজে যাওয়ার কথা ছিল। এয়ারফোর্সের Mi 17 হেলিকপ্টারটি ১১.৪৮-এ সুলুর এয়ারবেস থেকে উড্ডয়ন করেছিল। ১২:১৫ -এ ওয়েলিংটনে অবতরণ করার কথা ছিল। কিন্তু ১২.০৮ এ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয় এবং এরপরেই এটি বিধ্বস্ত হয়।


এই দুর্ঘটনায় সিডিএস জেনারেল বিপিন রাওয়াত, তাঁর স্ত্রী মধুলিকা রাওয়াত, ব্রিগেডিয়ার এলএস লিডার, কর্নেল হরজিন্দর সিং, ল্যান্স নায়েক বিবেক কুমার, নায়েক গুরুসেবক সিং, ল্যান্স নায়েক বি সাই তেজা, নায়েক জিতেন্দ্র কুমার, হাবিলদার সৎপাল রাই, উইং কমান্ডার পিএস চৌহান, স্কোয়াডেন লিডার কুলদীপ সিং, রানা প্রতাপ দাস, জেডব্লিউও প্রদীপ সেই দুর্ঘটনার দিনেই মারা যান।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad