একদিকে শীতের মরসুম শুরু হয়েছে। অন্যদিকে, কোভিড আবার বিশ্বজুড়ে নক করতে শুরু করেছে। এমতাবস্থায়, আমরা আপনাকে গোন্দ/আঠা খাওয়ার এমন উপকারিতা সম্পর্কে বলব, যাতে আপনি ঠান্ডা এবং রোগ উভয় থেকেই নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে সক্ষম হবেন। শীতকালে গোন্দ শুধু শরীরে উষ্ণতাই দেয় না, আরও অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা দিতেও সাহায্য করে।
স্বাস্থ্যের জন্য গোন্দ খাওয়ার উপকারিতা জানানোর আগে এটাও বলে রাখি যে গাছের কাণ্ডে ছেদ করলে যে রস বের হয় তাই হল গোন্দ বা আঠা। শুকানোর পরে, এটি একটি বাদামী স্ফটিকের মত দেখায়। শুধু খাবারের জন্য বাবলা গাছের আঠাই ব্যবহার করা হয় না। বরং নিম ও পলাশ গাছের আঠাও ব্যবহার করা হয়।
আসুন জেনে নেই গোন্দের স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় :
গোন্দ খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। এখন যখন আবার করোনার যুগ ফিরে আসছে, এমন পরিস্থিতিতে এটি আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অনেক সাহায্য করতে পারে। আপনি যদি দুধের সাথে গোন্দ এবং ময়দার তৈরি লাড্ডু খান তবে এটি আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বাড়িয়ে দিতে পারে।
গর্ভাবস্থায় উপকারী :
গর্ভাবস্থায় মহিলাদের হাড় খুব দুর্বল হতে শুরু করে। এমন পরিস্থিতিতে, গোন্দ তাদের জন্য খুব উপকারী প্রমাণিত হতে পারে। এটি খেলে গর্ভবতী মহিলাদের এই সমস্যা কমানো যায়।
প্রসবের পরে শক্তি দেয় :
সন্তান জন্মের পর নারীদের মধ্যে অনেক দুর্বলতা দেখা দেয়। এমন অবস্থায় গোন্দের লাড্ডু বা পাঞ্জিরি খেয়ে দুর্বলতা দূর করা যায়। শুধু তাই নয়,অনেক সময় মহিলারা কম দুধ উৎপাদনের অভিযোগ করেন। গোন্দ খেলে তাদের এই সমস্যাও কমে যায়।
শীতকালে উষ্ণতা দেয় :
শীতকালে গোন্দ খেলে শরীর গরম থাকে, যা ঠান্ডার প্রভাব কমায়। তাই শরীরে সতেজতা ও বলিষ্ঠতা বজায় থাকে।
রোগ দূরে রাখে :
আজ আমরা সব ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে আছি। এর প্রধান কারণ এই ভেজালের যুগে অধিকাংশ জিনিসের অপবিত্রতা। এমন অবস্থায় গোন্দ দিয়ে তৈরি খাবার খেলে রোগ হওয়ার আশঙ্কা কমে। এতে পেশিও শক্তিশালী হয়। শুধু তাই নয়, এটি খেলে হার্ট সংক্রান্ত সমস্যার ঝুঁকিও কমে যায়।
No comments:
Post a Comment