কিংবদন্তি অনুসারে, শ্রী রাম ভক্ত হনুমান (রাম ভক্ত হনুমান জি) অজর-অমর। প্রতিটি যুগে তিনি বিরাজমান। কথিত আছে যে হনুমান জির পূজা-অর্চনা করলে মানুষের সমস্ত কষ্ট দূর হয়। মঙ্গলবার এবং শনিবার হনুমান জির (মঙ্গল ও শনিবার হনুমান জির পূজা) পূজার জন্য শুভ বলে মনে করা হয়। আইন-শৃঙ্খলার সাথে এই দিনে পূজা করলে ভক্তদের সকল দুঃখ দূর হয়। ভগবান হনুমান ভক্তদের সকল ইচ্ছা পূরণ করেন। কথিত আছে যে আপনার কুণ্ডলীতে যদি কোনো গ্রহদোষ থাকে, ঘরে কোনো বাস্তু দোষ থাকে তাহলে হনুমান চালিসা, সুন্দরকাণ্ড ও বজরং পাঠ করতে হবে। এতে করে ঘরের নেতিবাচক শক্তি দূর হয়। হনুমান জির অনেক রূপ রয়েছে এবং প্রতিটি রূপের ছবি বাড়ির ভিন্ন দিকে লাগালেই বাড়ির বাস্তু দোষ দূর হয়। আসুন জেনে নেওয়া যাক কোন দিকে কোন দিকে হনুমানের ছবি রাখতে হবে।
পঞ্চমুখী হনুমান
কথিত আছে যে বাড়িতে হনুমানের পঞ্চমুখী ছবি থাকে, সেই বাড়িতে কখনও কোনও সমস্যা হয় না। পঞ্চমুখী ছবি লাগালে বাড়িতে লক্ষ্মীর কৃপা থাকে এবং নেতিবাচক শক্তি দূর হয়। ঘরে নেতিবাচক শক্তির প্রভাব আছে বলে মনে হলে হনুমান জির শক্তি প্রদর্শনের ছবি লাগালে নেতিবাচক শক্তি দূর হয়। সেই সঙ্গে বাড়ির প্রবেশদ্বারে ভগবানের ছবি লাগালে বাড়িতে অশুভ শক্তির প্রভাব কম থাকে।
হনুমানকে দক্ষিণ দিকে রাখুন
হনুমানজির ছবি সবসময় দক্ষিণ দিকে রাখতে হবে। কথিত আছে যে হনুমানজির প্রভাব দক্ষিণ দিকে বেশি। বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে ঘরে নেতিবাচক শক্তির প্রভাব পড়ে না। বাস্তুশাস্ত্রে বলা হয়েছে যে রান্নাঘরে, সিঁড়ির নীচে, বাড়ির কোনও অপবিত্র জায়গায় হনুমানজির ছবি লাগাতে হবে না।
লাল রং হনুমান
কথিত আছে যে, বাড়ির দক্ষিণ দিকে বসে থাকা হনুমানজির লাল রঙের ছবি রাখলে নেতিবাচক শক্তির প্রভাব কমে যায়। এই ছবি লাগালে ঘরে সুখ-সমৃদ্ধি আসে। জীবনে সুখ ও সমৃদ্ধি আনতে হলে সর্বদা ভক্তির ভঙ্গিতে সামনে বসে হনুমানের পূজা করা উচিত।
রামজীর পায়ের কাছে বসে আছেন হনুমান
গৃহসভায় রাম দরবারে রামজির পায়ের কাছে বসে থাকা হনুমানজির ছবি রাখলে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক ভালবাসা, বিশ্বাস, স্নেহ ও ঐক্য বজায় থাকে।
সঙ্কট মোচন হনুমান পাহাড় বহন করে
বাস্তুশাস্ত্রে, সেই সমস্ত লোকদের বাড়িতে একটি পাহাড় তোলা হনুমানের ছবি রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যাদের পরিবারের সদস্যদের সাহস এবং আত্মবিশ্বাসের অভাব রয়েছে।
মঙ্গল কার্তে হনুমান: হনুমান জির পঞ্চমুখী অবতার খুবই অলৌকিক, জেনে নিন কেন এই অবতার নেওয়া হয়েছিল
No comments:
Post a Comment