কীকী কারণে আমাদের স্বাস্থ্য ভালো হওয়ার প্রবণতা বারে - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 25 December 2021

কীকী কারণে আমাদের স্বাস্থ্য ভালো হওয়ার প্রবণতা বারে



আমরা সবসময় সচেতন থাকার চেষ্টা করি যে কীভাবে আমাদের স্বাস্থ্য মন ভালো রাখবো। জেনে বুঝে কখনও অজান্তেই আমরা এমন কিছু ভুল করে ফেলি যাতে আমাদের স্বাস্থ্যের সাথে মন খারাপ হয়ে যায়, তখন নিজেদেরই আফসোস করার উপায় থাকেনা। এমন কীজিনিস দিয়ে আমরা ভালো থাকতে পারি বা কোন জিনিসের ব্যবহারে আমরা ভালো থাকার পথ বন্ধ করে দেই, সেগুলো দেখে নেওয়া যাক 

 ২০-২০ গ্রাম বাদাম পাক সকাল-সন্ধ্যা খেলে এবং খাঁটি আমলকী তেল মাথায় লাগালে মস্তিষ্কের দুর্বলতা দূর হয়।

 

 সেমারের ছাল দশ গ্রাম দুধের সঙ্গে পিষে চিনি মিশিয়ে প্রতিদিন সকাল-সকাল খেলে মস্তিষ্কের দুর্বলতা, স্বপ্নদোষ ও সব ধরনের বীর্যের ত্রুটি সেরে যায়।


 কীভাবে কোন ধরনের বিষের প্রভাব কমানো সম্ভব : ভুট্টা সহ গাছটিকে পিষে ১০০ গ্রাম জলে দ্রবীভূত করুন এবং ফিল্টার করে, এক ঘন্টার মধ্যে এটি পান করুন।  এটি প্রতিটি ধরণের বিষের প্রভাবকে ধ্বংস করে, এটি একটি ডোজ।


 ১- কানের ব্যথায়: গরম ছাইয়ে পেঁয়াজ ভেজে তার রস ছেঁকে কানে লাগালে ব্যথা উপশম হয়।


 ২-বিছের বিষ: পেঁয়াজের রস, খয়রালে উভয় সমান অংশ পিষে আক্রান্ত স্থানে লাগালে এতে ব্যথা সেরে যাবে।  এতে বিষ কম হবে।


 ৩- ছানি চিকিৎসায়: এক গ্রাম পেঁয়াজের রস, মধু, ভীমসেনি কর্পূর অনেক পরিমাণে মিশিয়ে রাতে ঘুমনোর সময় চোখে লাগালে ছানি প্রভাব কমে যায়। চোখের চুলকানি কম হয়।


 ৪- অ্যান্টিমনি :৫০ গ্রাম পেঁয়াজের রসে ৫০ গ্রাম কালো অ্যান্টিমনি শুকিয়ে যায়।


৫- গোপনঙ্গে জ্বালা করলে :২০ গ্রাম পেঁয়াজের রস সমপরিমাণ জলে ফুটিয়ে অর্ধেক করে খেলে জ্বালাতে উপশম হয়।


স্বাস্থ্য ভালো রাখার উপায় :

 সকালে জলখাবার খাওয়া খুবই জরুরী নাহলে  পেটে গ্যাস, অ্যাসিডিটি, ব্যথা হয়।


২৪ ঘন্টায় ১০ গ্লাস জল পান করা দরকার কিডনি খারাপ হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়।


 গলব্লাডারে প্রবলেম হয়, যখন রাতে ঠিক সময় মতো ঘুমানো নাহলে এবং সূর্যোদয়ের আগে ঠিক সময় ঘুম থেকে না উঠলে।


ঠান্ডা ও বাসি খাবার খেলে ক্ষুদ্রান্ত্রে সমস্যা বারে।


 অনেক ভাজা, এবং মশলাদার খাবার খেলে বড় অন্ত্রে সমস্যা বৃদ্ধি পায়।


 বিড়ি, সিগারেট, ধোঁয়া ইত্যাদি দ্বারা দূষিত পরিবেশে শ্বাস নিলে ফুসফুস আক্রান্ত হয়।


  খুব বেশী ভারী জাঙ্ক, ফাস্ট ফুড খেলে লিভার ভালো থাকেনা।


 খাবারে লবণ, ঘি, তেল ইত্যাদি বেশি খেলে হার্টঅ্যাটাকের প্রবণতা বেড়ে যায়।


 খুব বেশি মিষ্টি জিনিস খেলে অগ্ন্যাশয় সমস্যা হয়।


  কম আলোতে মোবাইল এবং কম্পিউটারের স্ক্রিনের দিকে তাকালে চোখ ব্যথা ও পাওয়ার বেড়ে যায়।


 আবার নেতিবাচক চিন্তা করতে শুরু করলে তখন মস্তিষ্কে চাপ বেড়ে যায়।


 নৈতিকতার বিরুদ্ধে কাজ করলে আত্মাও কষ্ট  পায়। তাই এগুলো এড়িয়ে চললে শরীর ও মন দুটোই ভালো থাকে।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad