সুস্থ থাকার জন্য, শারীরিকভাবে যতটা ফিট থাকা প্রয়োজন, মুখের স্বাস্থ্যও ভাল হওয়া জরুরী। আপনি কি জানেন যে জিভ আপনার স্বাস্থ্যের কথাও বলে? হ্যাঁ, জিভে ঘন ঘন ফোসকা পড়া, জিভের রংও কোনও না কোনও রোগের লক্ষণ হতে পারে।
সুস্থ থাকতে এবং নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর করতে জিভ পরিষ্কার করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেউ কেউ ব্রাশ করা থেকে বিরত থাকেন এবং সকালে ব্রাশ না করে চা পান করেন, জলখাবারও করে নেন। সুস্থ থাকার জন্য মুখ, দাঁত ও জিভের পরিচ্ছন্নতাও খুব জরুরী।
মুখের রোগ এড়াতে ওরাল হেলথ কেয়ার খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অনেকে দাঁত ব্রাশ করলেও জিভ পরিষ্কার করেন না। জিভ পরিষ্কার করলে ব্যাকটেরিয়া দূর হয়। মৃত কোষও অপসারণ করা হয়।
জিভ পরিষ্কার থাকলে মুখের গন্ধ থাকবে না। জিভে কোন সমস্যা হবে না। আসুন জেনে নিই প্রতিদিন জিভ পরিষ্কার করার স্বাস্থ্য উপকারিতা কী কী?
প্রতিদিন জিভ পরিষ্কার করা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে: করোনা মহামারীতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী রাখা, যাতে আপনি অনেক ধরনের সংক্রামক রোগ থেকে দূরে থাকতে পারেন। আপনার শরীর ভাইরাসের বিরুদ্ধে জোরালোভাবে লড়াই করতে পারে।
এমন পরিস্থিতিতে, আপনার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা করা উচিৎ , যাতে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হয়। এর মাধ্যমে আপনি করোনার নতুন ভেরিয়েন্ট ওমিক্রনকেও অনেকাংশে এড়াতে পারবেন।
জিভ পরিষ্কার করা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে। মুখের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে ব্রাশ করার সময় জিভ পরিষ্কার করা জরুরী । এর জন্য একটি ভালো মানের জিভ ক্লিনার কিনুন।
জিভ পরিষ্কার করলে নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর হয়। দাঁত ও জিহ্বা সঠিকভাবে পরিষ্কার না করার কারণে মুখে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বেড়ে যায়। এতে মুখের স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে। চিকিৎসক যেমন দুইবার ব্রাশ করার পরামর্শ দেন, তেমনি জিভ দুইবার পরিষ্কার করার পরামর্শ দেন।
জিভ পরিষ্কার করলে মাড়িকেও সুস্থ রাখে।আপনি কি জানেন জিভের সঠিক যত্ন নিলে মাড়ির স্বাস্থ্যও ভালো থাকে? আসলে,জিভ বারবার দাঁত ও মাড়ির সংস্পর্শে আসে। এমন অবস্থায় জিহ্বায় উপস্থিত ব্যাকটেরিয়াও তাদের গায়ে সংক্রমিত হয়।
এ কারণে দাঁত, জিভে , মাড়ি সর্বত্র সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে। জিভ পরিষ্কার করার পদ্ধতি সম্পর্কে আপনি ডাক্তারকে জিজ্ঞাসা করতে পারেন। জিভ পরিষ্কার, ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া মুক্ত থাকলে দাঁত ও মাড়িও সুস্থ থাকবে।
জিহ্বা পরিষ্কার করার সঠিক উপায়: এছাড়াও সকালে এবং রাতে ঘুমনোর আগে জিভ পরিষ্কার করা উচিৎ। এর জন্য একটি স্ক্র্যাপার ব্যবহার করুন। কিছু ব্রাশ আছে যেগুলোতে জিভ পরিষ্কার করার জন্য ব্রিস্টলের পেছনের দিকটা থাকে।
তবে এতে জিভ ঠিকমতো পরিষ্কার নাও হতে পারে। স্ক্র্যাপার, জিভ ক্লিনার দিয়ে জিভ পরিষ্কার করলে ব্যাকটেরিয়া দূর হয়। জিভে রয়ে যাওয়া কোনও খাবারের কণা বেরিয়ে আসতে পারে। টক্সিনও পরিষ্কার হয়। অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলিও সঠিকভাবে কাজ করতে সক্ষম হয়।
No comments:
Post a Comment