আয়রন ঘাটতির লক্ষণ কী, ঘাটতি কীভাবে মেটানো সম্ভব? - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 11 December 2021

আয়রন ঘাটতির লক্ষণ কী, ঘাটতি কীভাবে মেটানো সম্ভব?

 


এখন সমস্ত মানুষই তাদের কর্মজীবন এবং অর্থ উপার্জনে ব্যস্ত, কিন্তু প্রায়শই চাকরীজীবী জীবনে, লোকেরা তাদের স্বাস্থ্যকে বারবার উপেক্ষা করে।   ভুলে যায় যে শুধুমাত্র সম্পূর্ণ সুস্থ ঘোড়াই রেসে জয়ী হয়। 



আমরা শরীরের অনেক পরিবর্তনশীল উপসর্গ উপেক্ষা করে আমাদের স্বাস্থ্যকে হালকাভাবে নিতে শুরু করি। সবসময় ক্লান্ত বোধ করলে  শরীরে আয়রনের অভাব হতে পারে।  


 আমিষভোজী হলে, তাহলে ডিম, মাছ, মুরগি খেয়ে শরীরে আয়রনের পরিমাণ বাড়াতে পারেন। তবে,আয়রনের ঘাটতি আরও বিপজ্জনক প্রমাণিত হতে পারে, বিশেষ করে মহিলাদের জন্য। যেমন :

সারাক্ষন হাত পা ঠাণ্ডা হয়ে থাকা 

 - ক্লান্তি বা দুর্বলতা

 - ফ্যাকাশে চামড়া

 -শেষযন্ত্রে ব্যথা 

 - মাথা ঘোরা

 -  নখ ফেটে যাওয়া 

 - চুল পড়া

 - লোহিত রক্তকণিকা কমে যাওয়া 

 - গলা ব্যথা

 -বুকে ব্যাথা

 - দ্রুত হৃদস্পন্দন



 এসব হলে হিমোগ্লোবিন আমাদের শরীরের আয়রনের দুই-তৃতীয়াংশের জন্য দায়ী।  এ থেকে  ধারণা করতে পারবেন আমাদের শরীরে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কতটা গুরুত্বপূর্ণ।



 আয়রন হিমোগ্লোবিনের একটি অপরিহার্য উপাদান।  অক্সিজেন লোহিত রক্তকণিকার মাধ্যমে সারা শরীরে যায়। এ কারণেই যদি আয়রন সঠিকভাবে সরবরাহ না করা হয়, তাহলে  শরীরে সঠিক পরিমাণে অক্সিজেন সমৃদ্ধ লোহিত রক্তকণিকা বৃদ্ধি পাবে না।  এই কারণে সবসময় ক্লান্ত বোধ হবে।



 আয়রন বিভিন্ন জিনিস থেকে পাওয়া যায়।  শুকনো মটর, পালং শাক, মটরশুঁটি , ব্রকলির মতো সবুজ শাকসব্জি তে আয়রন থাকে এবং এগুলো খেলে শরীরে আয়রন বাড়তে পারে। তাই আর উপেক্ষা না করে নিজেকে ফিট রাখতে হলে আয়রন বাড়ানোর চেষ্টা করুন।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad