বাড়িতে বিরাজমান নেতিবাচক শক্তি দূর করার জন্য বাস্তুশাস্ত্রে অনেক টিপস দেওয়া হয়েছে। করোনার এই সময়ে এগুলো করলে অনেক সমস্যা দূর হয়। এর মাধ্যমে পরিবারও করোনার মতো মহামারী থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারে। চলুন জেনে নেই কিছু বাস্তু টিপস
এই সময়ে দেশে করোনা মহামারী দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। সরকারের নির্দেশনা মানুষ মেনে চলছে। তা সত্ত্বেও মানুষ সংক্রমণ প্রতিরোধে নিয়োজিত রয়েছে। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে বাস্তুশাস্ত্রেও কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে এই টোটকাগুলি করলে ঘরের নেতিবাচক শক্তি শেষ হয়ে যাবে। এর মাধ্যমে ধৈর্য ধরে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করা যায়। চলুন জেনে নেই বাস্তুশাস্ত্রের এই টিপস:
এ সময় প্রায়ই দেখা যায় বাড়িতে স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়। পরিবারে ইতিবাচক শক্তি থাকা উচিৎ যাতে পরিবারের সদস্যরা সুস্থ থাকে। এ জন্য ঘরের প্রধান দরজা পরিষ্কার রাখুন। মূল প্রবেশপথে কোনো প্রকার ময়লা রাখবেন না। প্রধান দরজা স্যানিটাইজ রাখুন। বাড়ির প্রধান দরজা ভাঙা উচিৎ নয়। এতে পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্যের ওপর খারাপ প্রভাব পড়ে।
ঘরের কোণে ও দেয়ালে যেন মাকড়সার জাল না থাকে। এতে মানসিক চাপ বাড়ে। বাড়ির মূল প্রবেশপথে একটি স্বস্তিক চিহ্ন তৈরি করুন। মূল প্রবেশপথে বাদ্যযন্ত্রের ঘণ্টা রাখুন। বাড়ির কেন্দ্রীয় অংশ খালি রাখুন। কখনই রশ্মির নিচে ঘুমাবেন না। অসহায় মানুষকে খাদ্য সামগ্রী দান করুন।
শনিবার কালো উরদ ও সরিষার তেল দান করুন। শুদ্ধ আত্মায় হনুমান চালিসা পাঠ করুন। এর থেকে হনুমান জির আশীর্বাদ পান। এর মাধ্যমে যেকোনো ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।
ঘরে দক্ষিণ দিকে পা রেখে ঘুমাতে হবে। পূর্ণ পরিমাণ ঘুমাতে হবে। পরিপূর্ণ ঘুমের কারণে ব্যক্তির মানসিক ভারসাম্য ঠিক থাকে, কোনো ধরনের টেনশন থাকে না।
ঘরে উত্তর দিকে হনুমানজির ছবি লাগাতে হবে। বাড়ির বাস্তু দোষ দূর করার জন্য বাড়িতে ৯ দিন ধরে রামায়ণ পাঠ করা উচিৎ।
প্রতিদিন সকালে ঘরে কর্পূর পোড়ানো উচিৎ। এর ফলে ঘরে ইতিবাচক শক্তির সঞ্চার হয়।
No comments:
Post a Comment