১৫ ঘন্টা তল্লাশি চালিয়ে গোপন কক্ষ থেকে উদ্ধার ১৭ জন বার গার্ল - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, 15 December 2021

১৫ ঘন্টা তল্লাশি চালিয়ে গোপন কক্ষ থেকে উদ্ধার ১৭ জন বার গার্ল


অনেক সময় অনেক বার গার্লসকেই নাচানো হয়। কম পোশাক পরা এসব বার গার্লদের অশ্লীল নাচ অনেক পুরুষেরই টানে। কোথাও কোথাও এই নাচের আড়ালে যৌন ব্যবসাও চলে। একই সময়ে, কোভিড-১৯-এর নির্দেশিকাও লঙ্ঘন করেও হয় এসব কীর্তি কলাপ। এমতাবস্থায় পুলিশ সময়ে সময়ে এসব পানশালায় অভিযান চালায়।


বার গার্লদের জন্য মুম্বাই শহর বেশ বিখ্যাত। গত শনিবার (১১ ডিসেম্বর) রাতে আন্ধেরিতে অবস্থিত একটি বারে অভিযান চালায় মুম্বাই পুলিশ। প্রাথমিকভাবে বারের ভেতরে কোনও বার গার্ল দেখতে পায়নি পুলিশ।


সেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা খোঁজ করেছে। বারে কর্মরত কর্মীরাও বলতে থাকেন এখানে বার গার্ল নেই। এরপর পুলিশের চোখ পড়ে গোপন কক্ষের ওপর। এটি খোলা হলে একের পর এক ১৭টি মেয়ে বেরিয়ে আসে।


 আসলে এনজিও থেকে অভিযোগ পেয়েছিলেন পুলিশের সমাজসেবা শাখার আধিকারিক। অভিযোগে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ প্রোটোকল একযোগে লঙ্ঘন করা হচ্ছে। বার গার্লস থাকায় এবার ব্যাপক ভিড় জমেছে। গ্রাহকরা প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা খরচ করেন। বার গার্লদের কারণে এই বার সারা রাত খোলা থাকে। স্থানীয় পুলিশের কারো কাছে এ বিষয়ে কোনও তথ্য নেই।


 এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে শনিবার রাতে পুলিশ অভিযান চালায়। তবে এ অভিযানে ভেতরে কোনও বার গার্লকে খুঁজে পাননি তিনি। পুলিশ ১৫ ঘণ্টা ধরে বাথরুম, স্টোরেজ রুম, রান্নাঘরসহ বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালিয়েও কিছু পায়নি। বারের কর্মীরাও বার গার্ল থাকার কথা অস্বীকার করতে থাকেন।


 খুঁজতে খুঁজতে সকাল হয়ে যায়। এরপর ঘটনাস্থলে পৌঁছান সেবা শাখার ডিসিপি। সেখানে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে রবিবার সকালে ফের তল্লাশি শুরু হয়। এ সময় পুলিশ মেক-আপ রুমে একটি সন্দেহজনক আয়না দেখতে পায়। পুলিশ বুঝতে পারে ডাল মে কুচ কালা হ্যা। হাতুড়ি দিয়ে কাঁচ ভেঙে ফেলা হয়। এই মিররের পিছনে তারা একটি দরজা খুঁজে পায়। এই দরজাটি রিমোর্ট দ্বারা দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হত।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad