পাঞ্জাবের লুধিয়ানা কোর্টে বিস্ফোরণ , তার পরিকল্পনা শুরু হয়েছে লুধিয়ানা কেন্দ্রীয় কারাগারে। লুধিয়ানা সেন্ট্রাল জেল, বিকেইউ ৪ এবং গঙ্গার দুটি ব্যারাকে বিস্ফোরণের বিষয়ে মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই বৈঠকেই কুখ্যাত মাদক চোরাকারবারী রঞ্জিত সিং ওরফে চিতা গগনদীপ সিংকে এই বিস্ফোরণের জন্য প্রস্তুত করে।
লুধিয়ানা কেন্দ্রীয় কারাগারে পরিকল্পনা করা হয়েছে
পাঞ্জাব পুলিশের এসটিএফ হেড কনস্টেবল গগনদীপ সিংকে ১১ আগস্ট ২০১৯-এ হেরোইন সহ গ্রেফতার করে। এরপর তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে পুলিশ বিভাগ। এসটিএফ প্রায় ১২ দিনের রিমান্ডে গগনদীপকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল এবং তার পরে তাকে বিচার বিভাগীয় রিমান্ডে লুধিয়ানা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। গগনদীপকে ২৪আগস্ট ২০১৯ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ পর্যন্ত লুধিয়ানা কেন্দ্রীয় কারাগারের বিকেইউ ৪ এবং গঙ্গা ব্যারাকে রাখা হয়েছিল।
রোহিণী বিস্ফোরণ এবং লুধিয়ানা কোর্ট বিস্ফোরণের মধ্যে কি কোনও যোগসূত্র আছে?
তথ্য অনুযায়ী, লুধিয়ানা আদালতে বোমা বিস্ফোরণের তৃতীয় দিনে শনিবার দিল্লী পুলিশের বিশেষ শাখার একটি দল পাঞ্জাবে পৌঁছেছে। গত ৯ ডিসেম্বর দিল্লীর রোহিণী আদালতে বিস্ফোরণ ঘটে। দিল্লী পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ ওই বিস্ফোরণ মামলার তদন্ত করছে। রোহিণী কোর্ট এবং লুধিয়ানা কোর্টে বিস্ফোরণের মধ্যে কোনও মিল আছে কিনা তা খতিয়ে দেখছেন দিল্লী পুলিশের বিশেষ শাখার আধিকারিকরা। বিশেষ শাখা লুধিয়ানা বিস্ফোরণের তদন্তকারী দলের কাছ থেকে আপডেটও নিচ্ছে।
বোমা ফেলতে গিয়ে গগনদীপের মৃত্যু হয়
লুধিয়ানার আদালতে বোমা রাখার সময় বিস্ফোরণ হয়। বোমা ফেলতে আসা গগনদীপ নিজেই বিস্ফোরণে আক্রান্ত হন এবং নিহত হন। এই ঘটনায় পুলিশ গগনদীপের বাড়ির প্রতিটি ঘরে তল্লাশি চালিয়েছে। পুলিশ গগনদীপের ল্যাপটপ ও মোবাইল উদ্ধার করেছে।
এদিকে পাঞ্জাব সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন পাঞ্জাব বিজেপি নেতা তিক্ষান সুদ। তীক্ষন সুদ বলেছেন যে সরকার রাজ্যের দিকে মনোনিবেশ না করে কেলেঙ্কারিতে লিপ্ত।
অন্যদিকে, শিরোমণি আকালি দল অভিযোগ করেছে যে চান্নি সরকার ব্লাসফেমি এবং সন্ত্রাসী ঘটনার জন্য দায়ী এবং তার ব্যর্থতা থেকে জনগণের মনোযোগ সরাতে চায়।
No comments:
Post a Comment