প্রতিটি মানুষ তার জীবনে উন্নতি করতে চায় এবং উচ্চ স্তরের সাফল্য অর্জন করতে চায়। যার জন্য সে অনেক পরিশ্রম করলেও অনেক সময় শতভাগ পরিশ্রমের পরও সে আশানুরূপ ফল পায় না। এর জন্য আপনার প্রতিদিনের রুটিনের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি। শাস্ত্রে বলা হয়েছে যে প্রত্যেক ব্যক্তির উচিৎ সূর্যোদয়ের আগে তার বিছানা ত্যাগ করা উচিৎ। তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠা আপনার বাড়িতে ইতিবাচক শক্তি নিয়ে আসে। সকালটা ভালো থাকলে সারাদিন ভালো যায়।
বিশ্বাস অনুসারে, সকালে ঘুম থেকে ওঠার সাথে সাথে এমন কিছু কাজ রয়েছে যা করলে আপনার সমস্ত খারাপ কাজ ঘটতে পারে। আসুন জেনে নিই প্রথমে কি করা উচিৎ।
১. হাতের পাতা দেখুন
আপনার হাতের তালু উঠার সঙ্গে সঙ্গে প্রথমে তাদের দেখা উচিৎ। এটি স্বীকৃত যে এটি করার মাধ্যমে মাতা লক্ষ্মী, মাতা সরস্বতী এবং ভগবান বিষ্ণুর করুণা আপনার উপরে রয়ে গেছে।
২. মা বসুমতিকে প্রণাম করুন
উঠে পড়ার পরে মাটিতে পা রাখার আগে তিনি পৃথিবীর মায়ের কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন। পৃথিবীতে প্যাস রাখা দোষ বলে মনে হচ্ছে। ভগবান কৃষ্ণও মাতৃভূমিতে মাথা নত করে ক্ষমা প্রার্থনা করতেন।
৩. সূর্যকে ঠিক করুন
খুব সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরে, একটি তামার পাত্র দিয়ে সূর্য ঈশ্বরের কাছে জল সরবরাহ করুন। এটি আপনার সূর্য-সম্পর্কিত সমস্ত ত্রুটি পাশাপাশি বাড়ির পরিবার এবং সমাজে আপনার মূল্যবোধকে সম্মান বাড়ায়।
৪. ঠাকুর ঘর
মনে রাখবেন ঠাকুর ঘর যেন সাজানো থাকে। দেবতাদের মূর্তি ও পূজার উপকরণ ভালোভাবে রাখতে হবে। এতে করে পজিটিভ এনার্জি তো থাকেই, সেই সঙ্গে কুন্ডলী দোষও শান্ত হয়।
৫. গরুর জন্য প্রথম রুটি তৈরি করুন
রান্না করার সময় খেয়াল রাখবেন প্রথমেই যেন গরুর রুটি বানাতে হয়। এবং যখনই আপনার বাড়ির কাছে একটি গরু আসে, তাকে খাওয়ান।
৬. পিতামাতার পা স্পর্শ করুন
ঘর থেকে বের হওয়ার আগে বাবা-মা ও বড়দের পা ছুঁয়ে আশীর্বাদ নিন। এতে করে ভগবানের কৃপা বজায় থাকে এবং আপনার কোন কাজই অসম্পূর্ণ থাকে না।
৭. মিষ্টি দই খাওয়া
সকালের সময় আপনি যখনই নিজের বাড়ি থেকে কাজের উদ্দেশ্যে রওনা হন কেবল মিষ্টি দই খেয়ে। এটি করা আপনার মনকে শীতল রাখে এবং আপনার শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে গ্লুকোজ থাকে ।
No comments:
Post a Comment