ওজন কমাতে বা অন্যান্য সুবিধা পেতে অনেকেই প্রতিদিন সকালে খালি পেটে জিরা জল পান করেন। তবে অবশ্যই উচিৎ এর পরিমাণের দিকে খেয়াল রাখা। কারণ অতিরিক্ত পরিমাণে জিরা জল পান করা আপনাকে অসুস্থ করে তুলতে পারে।
ওজন কমানো থেকে শুরু করে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে জিরা জল পান করা ভালো, তবে ব্লাড সুগার, কিডনি বা লিভার সংক্রান্ত কোনও সমস্যা থাকলে জিরা জল পান করার সময় কিছু বিষয় মাথায় রাখা অবশ্যই উচিৎ। এছাড়াও শরীরে যে সমস্ত অসুখ থাকলে জিরা জল পান করা উচিৎ নয়, তা হল-
হজমের সমস্যা
অতিরিক্ত জিরা জল পান করলে হজম সংক্রান্ত সমস্যা হতে পারে, তাই এটি সীমিত পরিমাণে পান করুন। অনেক সময় এটি পেটে গ্যাস তৈরির সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। এতে অম্বলের সমস্যা হতে পারে।
কিডনি এবং লিভারের প্রভাব
অতিরিক্ত জিরা জল পান করলে কিডনি ও লিভারের ওপর প্রভাব পড়ে। আপনার যদি ইতিমধ্যেই কিডনি বা লিভার সংক্রান্ত কোনও সমস্যা থাকে, তাহলে অবূ ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ নিয়ে জিরার জল পান করুন।
রক্তে শর্করা খুব কম হবে
ব্লাড সুগার কমাতে জিরা জল খাওয়ারও পরামর্শ দেওয়া হয়, তবে আপনার রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকলে তা সীমিত পরিমাণে খান। প্রচুর পরিমাণে জিরা জল রক্তে শর্করার মাত্রা অনেকটাই কমাতে পারে। ফলে দুর্বলতা এবং মাথা ঘোরার সমস্যা হতে পারে।
গর্ভবতী মহিলাদের জন্য
গর্ভবতী মহিলাদের বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া জিরা জল পান করা একেবারেই উচিৎ নয়। অতিরিক্ত জিরা জল পান করলে গর্ভপাতের ঝুঁকি থাকে। এর প্রভাব গরম, যা গর্ভপাত ঘটাতে পারে। এছাড়া পিরিয়ডের সময়ও জিরা জল পান করলে রক্তক্ষরণ বাড়তে পারে।
পাশাপাশি, যেসব মহিনারা বুকের দুধ পান করান, তাদেরও অতিরিক্ত জিরা জল পান করা উচিৎ নয়। এতে দুধের অভাব হতে পারে। তবে তারা চাইলে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে এটি পান করতে পারেন।
বমি বমি ভাব এবং মস্তিষ্কের সমস্যা
জিরা জলে মাদকের গুণাগুণ পাওয়া যায়। এটি অতিরিক্ত পরিমাণে পান করলে বমি বমি ভাব এবং মস্তিষ্ক সম্পর্কিত সমস্যা হতে পারে।
No comments:
Post a Comment