শীত শুরু হলেই আমাদের ত্বকে এর প্রভাব সবার আগে দেখা যায়। শীতকালে ঠাণ্ডার কারণে আমাদের মুখের ত্বক শুষ্ক ও প্রাণহীন হয়ে পড়ে। এর পাশাপাশি শীতে ঠোঁট ফাটতে শুরু করে, যা দেখতে শুধু খারাপ নয়, যন্ত্রণাদায়কও। যদিও আজকাল বাজারে শুষ্ক ঠোঁটের জন্য অনেক ক্রিম, লিপবাম ইত্যাদি পাওয়া গেলেও অনেক সময় সেগুলো খুব একটা প্রভাব ফেলে না।
কিছু ঘরোয়া প্রতিকার রয়েছে যার সাহায্যে আপনি সহজেই ফাটা এবং শুষ্ক ঠোঁট থেকে মুক্তি পেতে পারেন। আজকে আমরা আপনাকে ফাটা ঠোঁট থেকে মুক্তি পেতে এমনই কিছু কার্যকরী টিপস বলতে যাচ্ছি ।
মধু এবং চিনি :
ঠোঁটের শুষ্কতা থেকে মুক্তি পেতে ঠোঁট এক্সফোলিয়েট করা খুবই জরুরি। ঠোঁটে জমে থাকা মৃত ত্বকের কোষ দূর করতে মধু ও চিনি দিয়ে তৈরি স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন। এ জন্য আধা চা চামচ চিনির সঙ্গে সামান্য মধু মিশিয়ে ঠোঁটে লাগিয়ে হালকা হাতে ঘষে নিন। এর পর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আপনি প্রতি তৃতীয় বা চতুর্থ দিন এটি করতে পারেন।
নারকেল তেল :
নারকেল তেল শুধু আমাদের চুলের জন্যই উপকারী নয়, এটি ঠোঁট নরম রাখতেও সাহায্য করে। এতে রয়েছে ফ্যাটি অ্যাসিড যা ঠোঁট নরম ও মসৃণ রাখতে সাহায্য করে। ফাটা ও শুকনো ঠোঁট প্রতিদিন তেল দিয়ে মালিশ করলে উপকার পাওয়া যাবে।
দেশি ঘি :
ফাটা ঠোঁট থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য এটি একটি খুব পুরানো ঘরোয়া প্রতিকার। প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে ঠোঁটে দেশি ঘি লাগিয়ে হালকা হাতে ম্যাসাজ করে সারারাত রেখে দিন। এতে আপনার ঠোঁট কয়েক দিনের মধ্যে নরম হয়ে যাবে।
মধু :
শীতে ঠোঁট ফাটা দূর করতে মধু ব্যবহার করতে পারেন। এটিতে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং নিরাময় বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা ফাটা ঠোঁটের কারণে সৃষ্ট ক্ষত সারাতে কাজ করতে পারে।
অ্যালোভেরা :
ত্বকের জন্য অ্যালোভেরার অলৌকিক গুণাবলী সম্পর্কে আপনি নিশ্চয়ই জানেন। কিন্তু এর পাশাপাশি ঠোঁট ফাটার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতেও এটি উপকারী বলে মনে করা হয়। অ্যালোভেরার ময়েশ্চারাইজিং বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা ফাটা ঠোঁটকে নরম করতে সাহায্য করে।
No comments:
Post a Comment