অধিকাংশ মহিলারা গর্ভাবস্থায় মাথাব্যথার সমস্যায় সমস্যায় পড়েন। কখনও কখনও মাথাব্যথা খুব বেশি ক্ষতি করে না তবে কখনও কখনও এটি ক্ষতিকারক প্রমাণিত হতে পারে। সাধারণত গর্ভাবস্থার দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে মাথাব্যথার সমস্যা শুরু হয়।
গর্ভবতী মহিলারা করতে পারেন। মাথাব্যথা, যার ইতিমধ্যেই সাইনাসের সমস্যা রয়েছে, সেইসাথে পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়ার সাথে ডিহাইড্রেশনের সমস্যা রয়েছে তাদের সমস্যা বেশি হয়।
স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞ ডাঃ প্রণালী আহেলে জানান, গর্ভাবস্থায় নারীর শরীরে অনেক বড় ধরনের পরিবর্তন হয় যা বিভিন্ন উপসর্গ সৃষ্টি করতে পারে এবং এর মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ সমস্যা হলো মাথাব্যথা। তিনি জানিয়েছে যে ৩০-৪০% মহিলারা গর্ভাবস্থায় বা তার পরে মাথাব্যথার অভিযোগ থাকে।
এ সময় অনেক নারীই প্রিক্ল্যাম্পসিয়ার সমস্যায় ভোগেন। এতে রক্তচাপ অনেক বেড়ে যায়। কিন্তু যদি গর্ভাবস্থায় রক্তচাপ বেড়ে যায়, তবে এটি উপেক্ষা করা উচিৎ নয়, প্রায়শই এটি গর্ভাবস্থার ২০ সপ্তাহের পরে ঘটে। মাথাব্যথা দূর না হলে অবশ্যই চিকিৎসককে জানাতে হবে।
চিকিৎসকের পদ্ধতি অনুসারে, বারবার বমি করলে শরীরে জলশুন্যতা দেখা দিতে পারে, সেক্ষেত্রে ডিহাইড্রেশনের কারণেও মাথাব্যথা দেখা দেয়। এ ছাড়া উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ রক্তচাপ, ঘুমের অভাব ইত্যাদি কারণেও মাথাব্যথা হতে পারে। অনেক হরমোনের পরিবর্তন রয়েছে। গর্ভাবস্থায় শরীরে, যা মাথাব্যথা হতে পারে।
মাইগ্রেনের সমস্যা থাকলে আরও সতর্ক থাকুন। শান্তিতে ঘুমতে মোবাইল, টিভি, ট্যাব ইত্যাদি থেকে দূরে থাকুন। হালকা গান শুনুন, যা কান ও মনকে শিথিল করে। ওজন বৃদ্ধি, শারীরিক পরিবর্তনের কারণেও মাথাব্যথা শুরু হয়।
কোনও কারণে মাথাব্যথা হলে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এ ছাড়া মাথাব্যথা থাকলে বেশি করে জল পান করা উচিৎ ।ডিহাইড্রেশনের কারণে যদি মাথাব্যথার সমস্যা হয়, তাহলে প্রতিদিন ২-৩ লিটার জল পান করুন।
বাবা রামদেবের পরামর্শ: বাবা রামদেবের মতে মাথাব্যথা অনেকাংশে কমানো ও দূর করা যায়। অনুলোম বিলোম ও ভ্রমরী যোগাসন করলে। নিয়মিত এই প্রাণায়াম করলে মাইগ্রেনের সমস্যা চলে যায়।
স্বামী রামদেবের মতে, কিছু ঘরোয়া প্রতিকারও করা যেতে পারে। যেমন, মেধাবতী সকাল-সন্ধ্যা ২-২টি ট্যাবলেট খেতে পারেন, দুধে এক চামচ বাদাম রোগান মিশিয়ে সকালে পান করতে পারেন, পাশাপাশি বাদাম ও আখরোট ভিজিয়েও খেতে পারেন।
No comments:
Post a Comment