পৌর ভোটে দিনক্ষণ এখনও ঘোষণা করেনি নির্বাচন কমিশন। ভোট আগেই গোঁজ প্রার্থী নিয়ে চিন্তিত তৃণমূল কংগ্রেস। এমতাবস্থায় তৃণমূল বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি আলো রানী সরকারের হুঁশিয়ারি, 'প্রার্থী দেওয়ার চিন্তা করলে তাদের চামড়া আমি গুটিয়ে নেব।' 'গোষ্ঠী দ্বন্দ্বে ছেয়ে গেছে তৃণমূল, হারের ভয়ে এই মন্তব্য' কটাক্ষ বিজেপির।
পৌর ভোটে দলের কেউ গোঁজ প্রার্থী দিলে শক্ত হাতে দমন করা হবে বলে জানিয়ে দিলেন তৃণমূল বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি আলো রানী সরকার। গাইঘাটার একটি অনুষ্ঠানে এসে তিনি দলীয় নেতা- কর্মীদের কার্যত হুঁশিয়ারি দেন বৃহস্পতিবার। বনগাঁর প্রাক্তন চেয়ারম্যান যদি টিকিট না পান, তাহলে তিনি ভোটে দাঁড়িয়ে পরবেন, সাংবাদিকদের এমন কথার জবাবে নেত্রী বলেন, 'একদম দাঁড়াবেন না। যদি দাঁড়ায় টিকিট যাকে দেওয়া হবে সেই দাঁড়াবে। যদি কেউ আমাদের দল ছেড়ে অন্য দলে চলে যায় তার কথা ভিন্ন। সে দল তাকে টিকিট দিলে দেবে। কিন্তু আমাদের দল যাকে টিকিট দিক সেই আমাদের ক্যান্ডিডেট, তাকেই আমরা জয়ী করব। যদি কেউ মনে করে গোঁজ প্রার্থী দেব, আমরা তা বরদাস্ত করব না । সেটা আমাদের সিদ্ধান্ত । বনগাঁ জিতাতে হবে নেত্রী আমাদের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাখির চোখ হল বনগাঁ। তাই সেই ক্ষেত্রে একদম বরদাস্ত করব না এইসব অবৈধ কার্যকলাপ।'
পাশাপাশি তৃণমূল নেত্রী এও বলেন, 'দলের অনুশাসন আছে। গোঁজ প্রার্থী আমরা দিতে দেব না। দল যেকোনও মানুষকে ভালো মুখ দেখে প্রার্থী করবে আমরা তাকেই মান্যতা দিয়ে , আমরা তাকে জিতিয়ে নেব। দলের পরিস্থিতি অত্যন্ত ভালো। দলে দলে মানুষ যোগদান করছে, বিভিন্ন দল থেকে। আমরা তাদের গ্রহণ করি এবং তাদের বলেছি আমাদের সঙ্গে থাকো। তারা ঠিকঠাক মত ভালো ভাবে কাজ করছে।'
তবে গোঁজ প্রার্থী দিলে চামড়া গুটিয়ে নেওয়ার নেত্রীর মন্তব্যকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। স্থানীয় বিজেপি নেতা বলেন, ওদের দলে গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব ছড়িয়ে গেছে। তাই আতঙ্কিত হয়ে এইসমস্ত কথা বলছেন তাদের নেত্রী। পাশাপাশি, বিজেপি নেতা দাবী করেন, 'বনগাঁ বিজেপির দখলেই থাকবে, কারণ মানুষ তাদের বিশ্বাস করে এবং তারাই তাদের হাতে বনগাঁ তুলে দেবে।'
No comments:
Post a Comment