মধ্যবিত্তের মাথায় হাত! বাড়বে বিদ্যুতের দাম - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Friday, 12 November 2021

মধ্যবিত্তের মাথায় হাত! বাড়বে বিদ্যুতের দাম



ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতিতে সাধারণ মানুষের পিঠ ঠেকে গিয়েছে।  পেট্রোল ও ডিজেল থেকে শুরু করে খাদ্য ও পানীয়ের জিনিসও ক্রমশ দামী হচ্ছে।  এদিকে জনসাধারণ আবারও বড়সড় ধাক্কা খেতে পারে।  দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়ছে বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলো।

দেশের বিদ্যুৎ খাতের অবস্থা খারাপ।  দেশ ব্যাপক হারে কয়লা আমদানি করে এবং কয়লা দেশের শক্তির প্রধান উৎস।  এমতাবস্থায় আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর খরচও বাড়বে এটাই স্বাভাবিক।  কয়লা সংকটের ঘটনার পর অটোমেটিক পাস-থ্রু মডেলের বিষয়ে নির্দেশনা জারি করেছে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়।

সাধারণ মানুষ হতবাক!
স্বয়ংক্রিয় পাস-থ্রু মডেলের অধীনে, যদি ফিউচার চুক্তির পরে জ্বালানীর হার বাড়ে, তবে সরকারী ডিসকমগুলির উপর অতিরিক্ত বোঝা পড়বে।  ডিসকমকে চুক্তির চেয়ে বেশি দাম দিতে হবে বিদ্যুৎকেন্দ্রে।  তবে এই পদক্ষেপের ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর আর্থিক অবস্থার উন্নতি হবে, কারণ তারা বর্ধিত খরচে অর্থ পাবে।  তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তে বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি অর্থাৎ ডিসকমগুলোর আর্থিক অবস্থাও খারাপ হতে পারে।


হার বাড়ানো কঠিন হতে পারে
ডিসকমের কাজ হলো বিদ্যুৎ বিতরণ এবং এর বিনিময়ে জনগণের কাছ থেকে অর্থ আদায় করা।  এমতাবস্থায় জ্বালানির দাম বাড়লে ডিসকমগুলোকে বিদ্যুৎ কিনতে বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের বেশি হার দিতে হবে, কিন্তু রাজনৈতিক চাপ ও জনগণের বিরোধিতার কারণে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো কঠিন হয়ে পড়বে (বিদ্যুতের দাম। )  তা সত্ত্বেও ডিসকম বাধ্য হয়েই বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেবে এবং এর প্রভাব পড়বে সাধারণ মানুষের পকেটে।  অবশ্য জনসাধারণকে বিদ্যুতের দাম দিতে হবে আগের চেয়ে বেশি।

বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে
কয়লা সংকটের ঘটনার পর দেশের কয়েক ডজন বিদ্যুৎকেন্দ্র বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কয়লা না থাকায় কাজ বন্ধ করে দেয়।  বেসরকারি কোম্পানিগুলোকে কয়লা কোম্পানিগুলোকে অগ্রিম টাকা দিতে হতো।  তারল্যের অভাবে তাদের কাছে স্টোরেজের বিকল্প নেই।  এমন পরিস্থিতিতে সরকারকে এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

এই মডেল ইতিমধ্যে কিছু রাজ্যে প্রয়োগ করা হয়েছে
বিদ্যুৎ আইনের ৬২(৪) ধারায় বলা হয়েছে যে যদি জ্বালানীর হারে পরিবর্তন হয়, তাহলে বিদ্যুতের শুল্ক বছরে কয়েকবার আপডেট করা যেতে পারে।  বর্তমানে এমন কিছু রাজ্য রয়েছে যেখানে এই (ফুয়েল সারচার্জ অ্যাডজাস্টমেন্ট) মডেল কাজ করে।

উল্লেখ্য স্বয়ংক্রিয় পাস-থ্রু মডেলটি সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় হবে না।  চুক্তির হারে কোনও পরিবর্তন হলে তার আগে রাজ্য কমিশনের অনুমোদন নিতে হবে।  বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় ৯ নভেম্বর নতুন মডেলের বিষয়ে নির্দেশনা জারি করেছে এবং ১১ নভেম্বর তাদের ওয়েবসাইটে এই তথ্য আপডেট করা হয়েছে।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad