এক জীবিত রোগীকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে বলে অভিযোগ। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীকে মৃত ঘোষণা করে বলে, পরিবারের দাবী। আত্মীয় স্বজনদের অভিযোগ, কথা বলার কয়েক ঘণ্টা পর রোগীর মৃত্যু হয়। চিকিৎসকদের অবহেলার অভিযোগে বাঘায়াতীন সরকারি জেনারেল হাসপাতালে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
মৃত ওই ব্যক্তির নাম কৃষ্ণ বাহাদুর থাপা। বয়স ৬৫। নেতাজি নগর থানা এলাকার রথতলার বাসিন্দা। নিহতের মেয়ে বলেন, "ডাক্তাররা বারবার বাবার ইসিজি করাতে বললেও তারা তা করেননি। শ্বাসকষ্টের কারণে সকাল ১০টায় বাবাকে হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালে আনার আধা ঘণ্টা পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এক ঘণ্টা পর বাবাকে জীবিত পাওয়া যায়।" চিকিৎসকদের গাফিলতি নিয়ে বারবার আঙুল তুলেছেন মৃত ওই ব্যক্তির মেয়ে।
পরিবারের পক্ষ থেকে ডাক্তার, নার্সকে ডাকা হলেও হাজির হননি। মেয়ের দাবী, আগে চিকিৎসা শুরু হলে বাবাকে বাঁচানো যেত। অভিযোগের তীর হাসপাতালের দিকে। ঘটনার পর থেকে বাথরুমের দরজা আটকে রেখেছেন চিকিৎসক। পরিবারের সদস্যদের সামনে আসবেন না। কোনও অপরাধ না করলে এগিয়ে আসতে ভয় পাচ্ছেন কেন? প্রশ্ন উঠেছে। নিহতের পরিবারের সঙ্গে কেউ দেখা করতে যাচ্ছে না। এমনকি কারও সঙ্গে দেখা করতেও দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ মৃত ওই ব্যক্তির পরিবারের।
হাসপাতালের সুপারিনটেনডেন্ট জবাব দেন, ডাক্তারকে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। রোগীকে যথাসম্ভব সুস্থ করার জন্য হাসপাতালের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা করা হয়েছে। ডাক্তার সত্যিই বলতে চেয়েছিলেন, "আমি আর কোনও আশা দেখছি না।" ডাক্তারের বক্তব্যে অমিল থাকলেও চেষ্টায় কোনও ত্রুটি ছিল না। রোগীকে প্রায় অজ্ঞান অবস্থায় ভর্তি করা হয়। পরিবারের সবাই বিষয়টি জানত। এটা চিকিৎসার অবহেলা নাও হতে পারে কথার অবহেলা হতে পারে। এর তদন্ত চলবে। এমনটাই জানান হাসপাতালের সুপার।
No comments:
Post a Comment