রবিবার (২১ নভেম্বর) ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় যুব তৃণমূল কংগ্রেস নেতা সায়নী ঘোষকে গ্রেপ্তারকে কেন্দ্র করে তোলপাড় শুরু হয়েছে।
ত্রিপুরায় নির্বাচনী প্রচারের সময় ক্ষমতাসীন বিজেপি এবং মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবের বিরুদ্ধে অশ্লীল এবং অশালীন মন্তব্য করার জন্য পূর্ব আগরতলা মহিলা থানায় সায়নী ঘোষের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে শহরের একটি হোটেল থেকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। সায়নীর সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় মুখপাত্র কুণাল ঘোষ, সাংসদ সুস্মিতা দেব, সুবল ভৌমিক, জয়া বিশ্বাস, সুদীপ্ত সাহা এবং অন্যান্য নেতাদের একটি দল পূর্ব আগরতলা মহিলা থানায় জড়ো হয়েছিল।
থানার সামনে দাঁড়িয়ে কুণাল ঘোষের অভিযোগ, "কোনও পূর্ব খবর না দিয়েই থানায় ফোন করে হেনস্থা করা হচ্ছে সায়নীকে।"
সরকারের তীব্র নিন্দা ও বিরোধিতা করে তিনি বলেন, "ত্রিপুরায় গণতন্ত্র ত্রুটিপূর্ণ।" এ সময় উপস্থিত তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যান্য নেতা-কর্মীরা রাজ্য সরকার ও ত্রিপুরা পুলিশের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন। এরপর কালো পোশাক ও হেলমেট পরা মোটরসাইকেল আরোহীরা সেখানে জড়ো হন।
তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকদের ওপর চড়াও হন তারা। এমনকি তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা তাদের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগও করেছেন। খবর পাওয়া মাত্রই অতিরিক্ত পুলিশ সুপার যোগেশ্বর যাদবের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। তারা পরিস্থিতি সামাল দেয়। তবে ওই এলাকাসহ পুরো আগরতলা শহরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। রাজনৈতিক সংঘর্ষ ঠেকাতে নগরীর বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তা বাহিনী বাড়ানো হয়েছে। তবে এ ঘটনায় পুলিশ আধিকারিকরা কোনও মন্তব্য করেননি।
No comments:
Post a Comment