সকাল হোক বা বিকেল যখনই হোক চা টা না খেলে জমে না ব্যাপার। সারাদিন মনে হয় যেন কি একটা মিসিং। এনার্জি আসতে চায়না। আর এমন কিছু লোক আছে যাদের চা না খেলে মাথাব্যথার সমস্যা শুরু হয়। এখন প্রশ্ন উঠেছে চা পান করলে কি সত্যিই মাথাব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়? চায়ে সত্যিই এমন গুণ রয়েছে। যা কার্যকর হতে পারে। মাথাব্যথা দূর করতে, আমরা আপনাদের এই প্রশ্নের উত্তর দেব। আসুন জেনে নেওয়া যাক
কোন চা মাথা ব্যথায় উপকারী: মাথাব্যথার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে দুধের চায়ের পরিবর্তে অন্য ভেষজ চা খেতে পারেন। এই চা পান করলে মাথা ব্যথা থেকে অনেকটাই উপশম পাওয়া যায়। এছাড়াও, এটি স্বাস্থ্যের কোন ক্ষতি করে না।
আদা চা: মাথাব্যথা দূর করতে আদা চা পান করতে পারেন। আদার প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা মস্তিষ্কে অপিয়েট সক্রিয় করে। এর কারণে মাথা ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় সহজেই।
পুদিনা চা: পুদিনা চা আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। এই চা মাথাব্যথা কমাতে সাহায্য করে। পুদিনার সাহায্যে মানসিক চাপ কমানো যায়।
লবঙ্গ চা: লবঙ্গ এমন একটি মশলা, যা ব্যবহার করে আপনি অনেক সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারেন। এর অনেক ভেষজ গুণ রয়েছে। লবঙ্গ চা পান করে আপনার মাথাব্যথা উপশম হতে পারে।
হলুদ চা: হলুদে কারকিউমিন নামক উপাদান থাকে। কারকিউমিনের নিউরোপ্রোটেক্টিভ প্রভাব রয়েছে। এছাড়াও এই চা মাইগ্রেন এবং মাথাব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
কালো চা:কাজের চাপে মাথা ব্যথা হলে কালো চা খেলে মাথাব্যথায় উপশম পাওয়া যায়।
চা পানের অসুবিধা: ভেষজ চা পানের অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। তবে অতিরিক্ত চা পান ক্ষতি করতে পারে। অতিরিক্ত চা পান ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। দুধের সাথে খুব বেশি চা পান করলে অম্বল হতে পারে। দিনে ৪ থেকে ৫ কাপ চা পান করলে শরীরে আয়রনের শোষণকে কমিয়ে দেয়। দুধ চা বা বেশি চা পান করলে অন্ত্রের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। বেশি পরিমাণে চা খেলে অ্যান্টিবায়োটিকের প্রভাব কমে যায়।
মনে রাখা ভালো দুধ চা হোক বা হার্বাল চা হোক অতিরিক্ত পরিমাণে পান করবেন না। দিনে ৩ থেকে ৪ কাপের বেশি চা পান করবেন না।
No comments:
Post a Comment