বুকের দুধ খাওয়ালে মায়েদের টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে বলছে বিশেষজ্ঞরা - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Friday, 26 November 2021

বুকের দুধ খাওয়ালে মায়েদের টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে বলছে বিশেষজ্ঞরা

 


গর্ভাবস্থায় প্রায় ১৪ শতাংশ মহিলা গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের ঝুঁকিতে থাকে।  একই সময়ে, গর্ভাবস্থার পরেও কিছু মহিলাদের মধ্যে ডায়াবেটিস থেকে যায়।  অনেক সময় আপনি নিশ্চয়ই লোকেদের বলতে শোনা যায় ডায়াবেটিস রোগীদের তাদের নবজাতক শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে।  তবে, সত্য এর থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন।  চলুন জেনে নেই বিশেষজ্ঞদের মতামত:



 ডাঃ আদিত্য হেগড়ের মতে, গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মহিলাদের অবশ্যই বুকের দুধ খাওয়াতে হবে।  বুকের দুধ খাওয়ালে শরীরে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।  এছাড়াও, যে মহিলারা বুকের দুধ খাওয়ান তাদের টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে।



 বুকের দুধ খাওয়ানো শিশু এবং মা উভয়ের জন্যই অত্যন্ত উপকারী। কিন্তু তা সত্ত্বেও, মাত্র ৫৫% শিশু জন্মের ৬ মাসের মধ্যে বুকের দুধ পায়।   ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মহিলাদের জন্য বুকের দুধ খাওয়ানো খুবই উপকারী।  তবে বুকের দুধ খাওয়ানোর সুবিধার পাশাপাশি ডায়াবেটিক মহিলাদের জন্য কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে।



 বুকের দুধে কি শিশুরও হতে পারে ডায়াবেটিস: মায়ের দুধ শিশুর জন্য অমৃতের মতো, এটি তাদের সমস্ত রোগ থেকে দূরে রাখতে সাহায্য করে।  বিশেষজ্ঞদের মতে, বুকের দুধ খাওয়ালে ভবিষ্যতে শিশুদের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে।  এছাড়াও, বুকের দুধ শিশুদের সংক্রমণের ঝুঁকিও কমায়।



 যে বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন: ডায়াবেটিসে আক্রান্ত নারীদের কিছু বিষয় খেয়াল রাখা দরকার।  স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বুকের দুধ খাওয়ানোর আগে ও সময় কিছু স্ন্যাকস খান।



 এছাড়াও, আপনি যদি আপনার শিশুকে ঘন ঘন খাওয়ান তবে আপনার সাথে একটি জরুরী জলখাবার খান।  আপনি আপনার শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোর আগে আপনার রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করতে ভুলবেন না।



 বিশেষজ্ঞরা বুকের দুধ খাওয়ানো মহিলাদের মানসিক চাপ না নেওয়ার পরামর্শ দেন।  এছাড়াও, স্তনে কোন ধরনের সংক্রমণ আছে কিনা তা নিয়মিত পরীক্ষা করতে থাকুন।  হাইড্রেটেড থাকার জন্য প্রচুর জল পান করুন।  এছাড়াও, প্রসবের পরে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বুকের দুধ খাওয়ান।



 বুকের দুধ খাওয়ানোর উপকারিতা: বুকের দুধ খাওয়ানো মহিলাদের অনেক রোগের ঝুঁকি কমায়, যেমন:

 হৃদরোগ

 স্থূলতা

 ডায়াবেটিস

 বাত

 স্তন ক্যান্সার

 ওভারিয়ান ক্যান্সার

 জরায়ুর ক্যান্সার

 অস্টিওপরোসিস

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad