প্রেসকার্ড নিউজ ডেস্ক: সিধুর পদত্যাগের পর থেকেই দলে যেন এক অস্থিরতা বিরাজ করছে। পাঞ্জাব কংগ্রেসের প্রধানের পদ থেকে সিধু পদত্যাগ করেছিলেন এবং তাঁর পদত্যাগ গৃহীত হয়েছে কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়।
পাঞ্জাব কংগ্রেসের প্রধান পদ থেকে হঠাৎ পদত্যাগ করা নভজ্যোৎ সিং সিধু শনিবার বলেন যে, তিনি গান্ধী ভাই-বোন রাহুল গান্ধী এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর পাশে দাঁড়াবেন, তিনি কোন পদে থাকুক বা না থাকুক। মুখ্যমন্ত্রী পদে চরণজিৎ সিং চান্নি দায়িত্ব নেওয়ার পর কিছু নিয়োগে বিরক্ত হয়ে সিধু তার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন, যদিও তাকে নানাভাবে সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে তার পদত্যাগ গ্রহণ করা হয়েছে কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়।
গান্ধীজি এবং শাস্ত্রীজির জন্মবার্ষিকীতে ট্যুইটারে পোস্টের দ্বারা তিনি বলেন রাহুল গান্ধী এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর পাশে সবসময় দাঁড়াবেন। 'সব নেতিবাচক শক্তি আমাকে পরাজিত করার চেষ্টা করুক, কিন্তু ইতিবাচক শক্তির প্রতিটি আউন্স দিয়ে পাঞ্জাব জয় করবে, পাঞ্জাবিয়াত (সর্বজনীন ভ্রাতৃত্ব) এবং প্রতিটি পাঞ্জাবি জিতবে। সিধু তার ট্যুইটার হ্যান্ডেলে মহাত্মা গান্ধী এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর জন্মবার্ষিকীতে লিখেছেন। এছাড়াও ক্রিকেটার থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া থেকে শুরু করে ট্যুইটারে মহাত্মা গান্ধী এবং শাস্ত্রীর ছবিও পোস্ট করেছেন।
পাঞ্জাবের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং এবং সিধুর মধ্যে তিক্ত লড়াইয়ের পর অমরিন্দর সিংয়ের পদত্যাগ এবং চরণজিৎ সিং চান্নি নতুন মুখ্যমন্ত্রী হন। যদিও অমরিন্দর সিং বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে সিধুকে পরাজিত করার হুঁশিয়ারি দেন। এছাড়াও তিনি গান্ধী ভাইবোনদের "অনভিজ্ঞ" বলেও অভিহিত করেন এবং পরে এও ঘোষণা করেন যে, তিনি দল ছাড়বেন।
সিধুর পদত্যাগের পর দল অস্থিতিশীলতার মধ্যে পড়ে যায়, চান্নী তার সাথে দেখা করেন এবং মূল সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য পার্টির একটি সমন্বয় প্যানেল গঠনে সম্মত হন এবং সিধুকে সেই প্যানেলের অংশ করা হয়েছে।

No comments:
Post a Comment