তিস্তা নদী তার স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে। তিস্তায় বন্যা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। জল স্তর কিছুটা নিচে নেমে এসেছে। রাতের পর থেকে বৃষ্টি না হওয়ায় নদীর ওপারের মানুষ স্বস্তি পেয়েছে। ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নেওয়া লোকজন জল কমার সঙ্গে সঙ্গেই বাড়ি ফিরতে শুরু করে।
বুধবার রাত থেকে উত্তরবঙ্গে আবহাওয়ার উন্নতি হয়েছে। তিস্তা নদীর জল স্তর কমার সঙ্গে সঙ্গে নদীর দুই পাশ থেকে রেড অ্যালার্ট তোলা হয়েছে। জলপাইগুড়ির সুকান্ত নগরের শারদা পল্লী ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরছে। অনেক বাড়ি তিস্তা নদীর জলে তলিয়ে গেছে। বেঁচে থাকার আশায় এলাকার মানুষ উঁচু জায়গায় আশ্রয় নেয়। জল স্তর কমে যাওয়ায় মানুষ ত্রাণ শিবির থেকে বাড়ি ফিরতে শুরু করে। যদিও অনেক বাড়িতে এখনও জল, কাদা জমে আছে।
গত সোমবার থেকে অবিরাম বৃষ্টির কারণে তিস্তার জল স্তর এতটাই বেড়ে গেছে যে তিস্তার তীরে প্রায় দেড় হাজার ঘরবাড়ি জলে তলিয়ে গেছে। প্রায় ২৫ হাজার মানুষ দুর্ভোগে ছিল। স্থানীয়দের মতে, তিস্তার সেই ভয়াবহ রূপ ১৯৮৬ সালে লক্ষ্মীপূজার দিনের সেই ভয়াবহ স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে। ১৯৮৬ সালে লক্ষ্মীপূজার দিন প্রবল বৃষ্টিতে বহু মানুষ প্রাণ হারায়। জেলার বেশ কয়েকটি জায়গা, বিশেষ করে জলপাইগুড়ি শহর খারাপভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শিলিগুড়ি-কালিম্পং টয় ট্রেন লাইন তিস্তায় ভেসে গেছে।
লাল সংকেত বাতিলের পর পর্যটকরা তিস্তা নদীর উভয় তীরে জড়ো হয়েছে। নদীর তীরে জুবিলি পার্কে অনেক মানুষ জড়ো হয়েছে। অনেক পর্যটককে তিস্তার পাড়ে দাঁড়িয়ে ছবি তুলতে দেখা যায়।
No comments:
Post a Comment