দক্ষিণবঙ্গের পর এবার উত্তরবঙ্গ। তিস্তার গর্জন বাড়ছে। বাংলায় ধ্বংসযজ্ঞ চলছে। একের পর এক নিম্নচাপ। দক্ষিণবঙ্গে গত কয়েকদিনের বৃষ্টির ফলে সৃষ্ট বন্যা এখনও মানুষকে প্রভাবিত করতে পারেনি।তবে তিস্তা নদীর জল হঠাৎ বৃদ্ধি। যার কারণে অনেক মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পুলিশ সুপার তিস্তা নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন।
জলপাইগুড়ি তিস্তা সেতু সংলগ্ন বিবেকানন্দ পল্লীতে চৌদ্দ হাজার মানুষের বসবাস। তিস্তার জল এখন সেই এলাকায় ঢুকে পড়েছে। খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ সুপার দেবর্ষি দত্ত রাতে দল নিয়ে সেখানে উপস্থিত হন। এর পরে পুলিশ এবং স্থানীয় লোকজন বাঁধ মেরামত শুরু করে। ডিএসপি সদর দপ্তর সমীর পাল এবং আইসি কোতোয়ালি অর্ঘ্য সরকার সেই রাতে বিবেকানন্দ পল্লীতে উপস্থিত ছিলেন। তিনি স্থানীয় লোকজনদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন।
একই সঙ্গে তিস্তায় দুই শতাধিক পরিবার আটকা পড়েছে। রাতে পুলিশ বাহিনী সেখানে পৌঁছায়। আটকে পড়া লোকদের উদ্ধারেও তিনি পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধারে এনডিআরএফ টিম মোতায়েন করা হয়েছে। তাদের মাধ্যমে এলাকায় পানীয় জলও পাঠানো হয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর খারাপ আবহাওয়া সত্ত্বেও কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার থেকে আকাশ পরিষ্কার থাকবে কারণ নিম্নচাপ কমে যাবে। রাতের বেলা তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রী হ্রাস পেতে পারে। এর ফলে নগরবাসী শীতের মেজাজ উপভোগ করতে পারবে। তবে উপকূলীয় জেলাগুলিতে বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হবে। মালদা এবং দিনাজপুরেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হবে।
No comments:
Post a Comment