করোনা চলে যায়নি, সাধারণ মানুষকে কোভিড ৪টি স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতেই হবে,জানালেন জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক তাপস রায়।এইদিন সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জানান,কোভিড নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। আর পাঁচটা ভাইরাল ফিবারের মতই একটি ফিবার।
যদিও নতুন করে এসেছে এই ফিবার।জেলা সহ রাজ্যে যে পরিসংখ্যান তাতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই,তবে আগের তুলনায় কিছুটা হলেও বেড়েছে কোভিড সংক্রমণ,তা যে কারণেই হোক। উৎসবের মরশুম চলছে,সামনে বড় একটি পুজো কালি পুজো,যা গোটা জেলা জুড়ে পালিত হবে।
স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফ থেকে দুর্গাপুজোয় প্রায় দশহাজার করোনা সচেতনতা প্রচারের ব্যানার পুজো কমিটি সহ বিভিন্ন গাড়িতে দেওয়া হয়েছিল,সেইভাবে কালীপুজোতেও সচেতনতা প্রচার চলবে,তবে প্রধান যে ৪টি বিধি মেনে চলতে হবে তারা মধ্যে প্রধান সামাজিক দূরত্ব অর্থাৎ অন্তত পক্ষে ৬ ফুট দূরত্ব মানতে হবে।
দ্বিতীয়, সকলকে মাক্স ব্যবহার করতেই হবে, বাড়ির বাইরে বের হলেই মাক্স বাধ্যতামূলক। তৃতীয়, সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে, বা তা না হলে হাত ভাল করে স্যানিটাইজ করতে হবে। চতুর্থ, এবং শেষ বিধি হল যত দ্রুত সম্ভব ভ্যাকসিন নিতে হবে।
অনেকের মধ্যে ভ্যাকসিন নিতে অনিহা আছে,তাদেরকেও স্বাস্থ্য দপ্তরের উপদেশ যত দ্রুত সম্ভব ভ্যাকসিনেশন করে ফেলার।পাশাপাশি তাপস বাবুর পরামর্শ যারা কোভিড আক্রান্ত হবে তারা বাড়িতে হোম আইসোলেশনে থাকাকালীন ওষুধের পাশাপাশি প্রতিদিন স্যাচুরেশন চেক করা,যদি কোন সমস্যা বাড়ে তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে এসে ভর্তি হওয়া।
এখনো পর্যন্ত কোভিডের মৃতের হার যা, তার বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হাসপাতালে দেরি করে আসছে রোগী অথবা আগে থেকে শরীরে কোন রোগ রয়েছে,তাদের ক্ষেত্রেই এই ঘটনা ঘটছে বলে জানান।একসময় এই জেলায় প্রতিদিন চার সাড়ে হাজার কেস প্রতিদিন পাওয়া যেত যা বর্তমানে একশো থেকে একশো কুড়, তিরিশে নেমে এসেছে।
তবে নতুন করে কিছুটা কোভিড সংক্রমণ বেড়েছে বলে জানান CMOH তাপস রায়।বর্তমানে যেমন ভ্যাকসিন পর্যাপ্ত আছে তেমনি হাসপাতাল গুলি বেডও ফাঁকা,তাই সকলকে ভ্যাকসিন নেওয়ার পরামর্শ এবং দেরি না করে অসুবিধা হলে হাসপাতালে আগে থেকে চিকিৎসা শুরু করার পরামর্শ দেন উত্তর চব্বিশ পরগনার মূখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক তাপস রায়।
No comments:
Post a Comment