ফাঁস হল নারদ মামলার ৭৭ পৃষ্ঠার চার্জশিট - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Monday, 6 September 2021

ফাঁস হল নারদ মামলার ৭৭ পৃষ্ঠার চার্জশিট


প্রেসকার্ড নিউজ ডেস্ক: নারদ কেলেঙ্কারির ৭৭ পৃষ্ঠার চার্জশিট টাইমস নাও নবভারতের কাছে। এটি সেই অভিযোগপত্র, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের দুই মন্ত্রীর নাম রয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে একটি বেসরকারি কোম্পানির লাভের জন্য ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। মমতা সরকারের ২ জন মন্ত্রী ছাড়াও চার্জশিটে কিছু নেতা ও আধিকারিকের নামও রয়েছে।


ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র, শোভন চ্যাটার্জী, এসএমএইচ মির্জা, আইপিএস, যাদের নাম এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেটের চার্জশিটে এসেছে। নারদ মামলায় করা ইডি-র চার্জশীটের এক্সক্লুসিভ কপিটাইমস নাও নবভারতের কাছে রয়েছে। এই চার্জশিটটি ৭৭ পৃষ্ঠার। চার্জশিটে তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র এবং প্রাক্তন মেয়র শোভন চ্যাটার্জীর নাম রয়েছে। অভিযোগপত্রে এই কেলেঙ্কারির পূর্ণাঙ্গ বিষয়টির উল্লেখ করা হয়েছে। নেতা এবং ম্যাথিউস স্যামুয়েলের মধ্যে কীভাবে অর্থ লেনদেন হয়েছিল তার সম্পূর্ণ বিবরণ অভিযোগপত্রে উপস্থিত রয়েছে। এ ছাড়া মমতা সরকারের দুই মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এবং সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের নামও রয়েছে। কলকাতার বিশেষ আদালতে এই অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে।


ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র, শোভন চ্যাটার্জী এবং আইপিএস অফিসার এস.এম.এইচ. মির্জার বিরুদ্ধে অর্থ পাচার ও ঘুষের অভিযোগ আনা হয়েছে। বিশেষ আদালতে এই সবের স্বীকারোক্তির তথ্যও দিয়েছে ইডি।  ইডি অভিযোগপত্রে বলেছে যে, একজন মন্ত্রী এবং একজন সরকারি কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও তিনি একটি বেসরকারি কোম্পানিকে লাভবান করার বিনিময়ে ঘুষ নেন। ঘুষ লেনদেনে হাওয়ালার ব্যবহার করা হয়। 


মদন মিত্র পুরো পদক্ষেপকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিহিত করেছেন। তিনি স্পষ্ট বলেন,  শুভেন্দু অধিকারীর নাম নেই কারণ তিনি বিজেপিতে আছেন।  


উল্লেখ্য, নারদ মামলা ২০১৪ সালের একটি স্টিং অপারেশনের সঙ্গে যুক্ত, যেখানে তৃণমূলের নেতৃত্বাধীন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধে বেসরকারি কোম্পানি থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছিল। স্টিং অপারেশনে প্রাইভেট কোম্পানিকে ঘুষের বদলে সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই স্টিং অপারেশন জনসম্মুখে প্রকাশ করা হয়েছিল। কলকাতা হাইকোর্ট ২০১৭ সালের মার্চ মাসে নারদ কেলেঙ্কারির দায়ভার সিবিআই -এর কাছে হস্তান্তর করেন। এরপর ইডি অর্থাৎ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকেও মামলার তদন্তে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad