প্রেসকার্ড নিউজ ডেস্ক: ট্রানস সাইবেরিয়ান রোড সি ড্রাইভ শুরু হচ্ছে অক্টোবর থেকে। তারই শুভ উদ্বোধনের দিন কলকাতায় করলেন কামারহাটির বিধায়ক ও তৃণমূল নেতা মদন মিত্র। এখানে উপস্থিত ছিলেন এই সংস্থার কর্ণধার দেবাঞ্জলি রায় ও কৌশিক রায়।
এদিন মদন মিত্র জানান, এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মুকুল রায়। তাঁকে দেখতে যাবেন তিনি। তিনি বলেন, 'মুকুল রায় তাঁর ছোট ভাইয়ের মতো। তাঁকে তিনি স্নেহ করেন। আর এই সময়ে তিনি তাঁকে দেখতে যাবেন।' পাশাপাশি আরও কতগুলো প্রসঙ্গ উঠে আসে। সেই প্রশ্নের উত্তর দেন মদন মিত্র। আইন মন্ত্রী মলয় ঘটককে ইডি ডেকেছে, সেই প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মদন মিত্র জানান, 'চিদাম্বরম কেও ইডি ডেকেছিল। তাতে কোন দোষ নেই।' কথা প্রসঙ্গে তিনি নচিকেতার একটি গান মনে করিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, 'যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে নাকি একলা চলতে হয়।' পাশাপাশি তিনি এও জানিয়েছেন তাকেও ইডি ডেকে পাঠিয়েছে এবং চার্জশিট তাঁর নামে পেশ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, 'সেটা কোন ব্যাপার নয়। প্রতিদিন সকালে উঠে তিনি চিঠির জন্য অপেক্ষা করতেন। চিঠি এসে গেছে তার মানে তিনি এখন ডিসচার্জ। তবে সবার নামে চার্জশিট পেশ করা হল শুভেন্দু অধিকারী নামে কোন চার্জশিট পেশ করা হয়নি সে বিষয়ে খানিকটা ব্যঙ্গাত্মক সুরেই মদন মিত্র, 'শুভেন্দু অধিকারী আসলে বিজেপির ঘরের জামাই। তার নামে কখনও কোনও চার্জশিট পেশ করা সম্ভব নয় ।তাই তাকে বাদ দিয়ে সবার নামে চার্জশিট পেশ করা হয়েছে।' এরপর স্বভঙ্গিমায় বলেন 'লাভলী'।
সেইসঙ্গেই রাজ্যপালকেও এক হাত নিতে ছাড়েননি মদন মিত্র। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে রাজ্যপাল না বলে তিনি 'ট্যুইটার পাল' বলেও মন্তব্য করেছেন। দিলীপ ঘোষকেও তীব্র ভৎসনা করেন মদন মিত্র। দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কখনও কারখানার উদ্বোধন করেন নি। সেই প্রসঙ্গে মদন মিত্র বলেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মেলা কারখানার উদ্বোধন করেছেন। আসলে দিলীপ বাবুর অবস্থা এখন খুব বাজে। তিনি তার অবস্থান সম্পর্কে সচেতন এবং বিজেপি থেকে যে অনেকেই অন্য দলে স্থান পরিবর্তন করবে এবং দিলীপ বাবুর পায়ের তলায় মাটি থাকবে না সে ব্যাপারে তিনি একেবারে নিশ্চিত।

No comments:
Post a Comment