ভয়ঙ্কর কাণ্ড! মহিলা পুলিশের প্রেমে পড়ে স্ত্রী সন্তাদের খুন করে মাটিতে পুঁতে দিল স্বামী - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Thursday, 2 September 2021

ভয়ঙ্কর কাণ্ড! মহিলা পুলিশের প্রেমে পড়ে স্ত্রী সন্তাদের খুন করে মাটিতে পুঁতে দিল স্বামী


প্রেসকার্ড নিউজ ডেস্ক: মহিলা পুলিশ কর্মীর প্রেমে পাগল হয়ে নিজের স্ত্রী এবং দুই সন্তানকে খুন করে ঘরের বেসমেন্টে পুঁতে রাখল ব্যক্তি। চমকে দেওয়ার মতো এই ঘটনাটি ঘটেছে দিল্লী সংলগ্ন গ্রেটার নয়ডায়। কাশগঞ্জের ঢোলনা পুলিশ ঘটনাটি প্রকাশ করেছে। বৃহস্পতিবার অভিযুক্তকে সঙ্গে নিয়ে পুলিশ বিসরাখে স্থিত চিপিয়ানায় বেসমেন্টে খনন কার্য চালাচ্ছে। পুরো ঘটনাটি গ্রেটার নয়ডার বিসরাখ থানা এলাকার চিপিয়ানা গ্রামের। কাশগঞ্জের ধোলনা পুলিশ এখানে অভিযুক্তকে নিয়ে আসেন, যে তার স্ত্রী ও ২ সন্তানকে হত্যা করে এবং তারপর তাদের মরদেহ বাড়ির বেসমেন্টে পুঁতে দেয়। পুলিশ তিন বছর পর অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে।

 

গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির গুণকীর্তি এখানেই শেষ নয়। স্ত্রী ও দুই সন্তানকে খুন করার পাশাপাশি তার বাবার সাহায্যে নিজেকে মৃত ঘোষণাও করেছিল। তার বাবাও এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত এবং একজন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মী। আগ্রায় কর্মরত এক মহিলা পুলিশকর্মীর প্রেমে পড়ে ব্যক্তি এই ঘটনা ঘটিয়েছিল। বর্তমানে, ধোলনা পুলিশ অভিযুক্তর বাড়িতে খনন কাজ করছে।


অতিরিক্ত ডিসিপি সেন্ট্রাল অঙ্কুর আগরওয়াল জানান, ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে থানা বিসরাখে এক বাবা তার মেয়ে এবং মেয়ের দুই সন্তানের নিখোঁজ হওয়ার রিপোর্ট দায়ের করেছিলেন, যা পরে অপহরণের কেসে রূপান্তরিত করা হয়।


অতিরিক্ত ডিসিপি অঙ্কুর আগরওয়াল বলেন, 'ভিকটিমের বাবা অভিযোগ করেছিলেন যে, তাঁর জামাই রাকেশই তার মেয়ে এবং মেয়ের দুই সন্তানকে অপহরণ করে। কিছু দিন পরে অভিযুক্ত রাকেশের হত্যার একটি মামলা কাসগঞ্জের ধোলনা থানা এলাকায় দায়ের করা হয়েছিল। তিন বছর পরে, যখন পুলিশ মামলাটির তদন্ত করে, তখন অভিযুক্ত রাকেশকে মৃত নয়, জীবিত পাওয়া যায়।


পুলিশ জানায়, তার স্ত্রী এবং দুই সন্তানকে হত্যার পর তিনি বিসরাখ থানা এলাকার চিপিয়ানা গ্রামে বাড়ির বেসমেন্টে একটি গর্ত খুঁড়ে সেখানেই তাদের পুঁতে দেয় এবং সিমেন্টের দেওয়াল তৈরি করে দেয়। বিসরাখ পুলিশের উপস্থিতিতে অভিযুক্তের দেখিয়ে দেওয়া স্থান খোঁড়া হয়, যেখানে কিছু হাড় উদ্ধার  হয়েছে এবং ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য সেগুলো পাঠানো হয়েছে।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad