নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদা: গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড হরিশ্চন্দ্রপুরে।পুড়ে ছাই চায়ের দোকান সহ বেশ কয়েকটি মাছের আড়ত। অল্পের জন্য রক্ষা পেল হরিশ্চন্দ্রপুর থানার ক্যাম্পাস।
গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে গেল মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর হাটখোলার বেশ কয়েকটি মাছের আড়ত সহ একটি চায়ের দোকান। লক্ষাধিক টাকার ক্ষতির আশঙ্কা। অল্পের জন্য রক্ষা পেল হরিশ্চন্দ্রপুর থানা ক্যাম্পাসও। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের জেরে সব কিছু হারিয়ে পথে বসেছেন অসহায় চায়ের দোকানদার সহ অন্যান্য মাছ ব্যবসায়ীরা। এলাকার বাসিন্দাদের তৎপরতায় রক্ষা পায় হরিশ্চন্দ্রপুর থানার ভবন এবং হাটখোলা এলাকা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে দমকলে খবর দেওয়া হয় কিন্তু অভিযোগ দমকল আসতে দেরি করায় আগুন অনেকটাই ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যায় হাটের বেশ কয়েকটি ব্যবসায়ীদের ঘর।
স্থানীয় সূত্রের খবর, শুক্রবার ভোর রাত তিনটার সময় হরিশ্চন্দ্রপুর থানা সংলগ্ন হরিশ্চন্দ্রপুর হাটখোলাতে পশ্চিম দিকের কোণায় আগুন দেখতে পান বাসিন্দারা। তখন এলাকার সমস্ত লোকেরাই ঘুমিয়ে ছিলেন। আগুনের লেলিহান শিখায় ও হাটের ঘরগুলি পুড়ে যাওয়ার শব্দ শুনে জেগে ওঠেন এলাকার বাসিন্দারা। তারা জল দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। হাটের একটি চায়ের দোকানে রাখা দুটি গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ করায় আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করে। খবর দেওয়া হয় দমকলে। আগুন লাগার ঘণ্টা খানেকের মধ্যেই দমকলের গাড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং আরও ঘন্টা খানেকের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে ততক্ষণে একটি চায়ের দোকান সহ বেশ কতকগুলি মাছের আড়ত পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অনুমান, ওই চায়ের দোকান থেকেই আগুন ছড়িয়েছে। যদিও স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবী এখানে কোন ইলেকট্রিক কানেকশন নেই, তাহলে শর্ট সার্কিটেরও প্রশ্ন নেই। এর পিছনে তারা ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছেন। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, কেউ বা কারা উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে এই আগুন লাগিয়েছেন। ভোর রাতের এই ঘটনার জেরে যথারীতি চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকায়। তবে এলাকার বাসিন্দা ও দমকলের তৎপরতার জেরে অল্পের জন্য রক্ষা পেল থানার ক্যাম্পাস এবং সংলগ্ন হরিশ্চন্দ্রপুর হাট।

No comments:
Post a Comment