নেপাল পালানোর আগেই বিএসএফের হাতে গ্রেফতার বেআইনী কাজে জড়িত বাংলাদেশী পুলিশ কর্তা - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 4 September 2021

নেপাল পালানোর আগেই বিএসএফের হাতে গ্রেফতার বেআইনী কাজে জড়িত বাংলাদেশী পুলিশ কর্তা

 




নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: কাঁটাতারের বেড়া পেরিয়ে ভারতে প্রবেশের অভিযোগে আটক বাংলাদেশী নাগরিক। শুক্রবার কোচবিহার জেলার অন্তর্গত ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত চ্যাংড়াবান্ধায় ১৪৮ নং ব্যাটালিয়ান বিএসএফের হাতে ধরা পড়ে। এরপর বিএসএফ তার পরিচয় জানতে চাইলে তিনি নিজেকে বাংলাদেশী পুলিশ বলে পরিচয় দেয়। 


কিন্তু তাঁর কথায় একাধিক অসঙ্গতি মেলায় বিএসএফের সন্দেহ হয়। জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম  মহম্মদ শেখ সোহেল রানা, সে গোপালগঞ্জের বাসিন্দা। বয়স ৪৬ বছর। ঢাকায় বাংলাদেশ মেট্রোপলিটন পুলিশে কর্ম‌রত ছিলেন। তাঁর কাছ থেকে বিদেশী পাসপোর্ট, বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন ও এটিএম কার্ড এবং কিছু ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছে, সেগুলি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে। এও জানা গিয়েছে, সেদেশে সোহেলের নামে নানান অপরাধ মূলক কাজে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে বলে জানতে পেরেছেন বিএসএফের কর্তারা। 


জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় সোহেল জানায়, চলতি মাসের ২ তারিখ ঢাকা থেকে বাসে করে যাত্রা শুরু করে। ২০০৩ সালে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে সাব ইন্সপেক্ট‌র রূপে নিযুক্ত হয়। কিন্তু সেই বছর থেকে  ২০০৮ সাল পর্যন্ত তাকে অন্য ২১ জন পুলিশ কর্মীর সাথে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল এবং ২০০৮ সালে তার সাসপেন্স‌ন অর্ডার প্রত্যাহার করা হয়েছিল।


জিজ্ঞাসাবাদ চলাকালীন, সে এও স্বীকার করে নিয়েছে যে, তাঁর গন্তব্যস্থল ছিল নেপালের কাঠমুন্ডু।তবে ঠিক কি কারণে সীমান্ত টপকে তিনি এদেশে প্রবেশ করেছিলেন, তা নিয়ে নানান প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। 


খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান বিএসএফের জলপাইগুড়ি সেক্টরের ডিআইজি সঞ্জয় পন্থ সহ পদস্থ কর্তারা। ওই ব্যক্তির অবৈধ ভাবে ভারতে প্রবেশের পিছনে অন্য কোনও ছক রয়েছে কিনা, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছেন ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর আধিকারিকরা। বাংলাদেশ সরকারের সাথেও যোগাযোগ করা হয়। বাংলাদেশ সরকার সোহেল রানার পরিচয় নিশ্চিত করে।  শনিবার বিএসএফ মহম্মদ শেখ সোহেল রানাকে তাঁর কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত করা সামগ্রী সহ মেখলিগঞ্জ থানা পুলিশের হাতে তুলে দেয় পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ করার জন্য। 



No comments:

Post a Comment

Post Top Ad