প্রেসকার্ড নিউজ: আমাদের দেশে অনেক ধর্মের মানুষ বাস করে। যারা ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাস রাখে তারা অবশ্যই সপ্তাহে একবার ধর্মীয় স্থান পরিদর্শন করে। যদি আমরা হিন্দুধর্মের কথা বলি, তাহলে অনেক দেব -দেবীতে বিশ্বাস করার অভ্যাসের কথা বলতে হবে। তাদের মধ্যে পবনপুত্র হনুমানজির ব্যাপারটি ভিন্ন। হিন্দুদের মধ্যে খুব কমই এমন কেউ থাকবে যাঁর হনুমানজির প্রতি বিশ্বাস নেই।
বজরংবলীকে বিশ্বাস ও পূজা করা মানুষের সংখ্যা অসংখ্য। প্রসঙ্গত, সারা দেশে হনুমান- জির অনেক মন্দির রয়েছে। এর মধ্যে অনেকগুলি অনেক পুরনো। কিন্তু আজ আমরা আপনাকে এমন একটি হনুমানজির মন্দির সম্পর্কে বলতে যাচ্ছি যা শুধুমাত্র পুরানো নয় বরং এর নিজস্ব স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যও রয়েছে।
এখানে আমরা মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরের খড়িঘাটে অবস্থিত হনুমান মূর্তির কথা বলছি, যা ৬০০ বছরেরও বেশি পুরনো বলে মনে করা হয়। হনুমানজির এই মূর্তির উপর চুল রয়েছে। নর্মদা তীর্থ গোয়ারীঘাটের কাছে খড়িঘাটে অবস্থিত হনুমানজির মূর্তিতে তৈরি চুল দেখে মনে হয় যেন তিনি স্নান সেরে চলে গেছেন। এই মূর্তিটি দেখলে মনে হয় এর মধ্যে প্রাণ আছে।
এই মূর্তিটি দেখতে এতটা জীবন্ত দেখায় যে এটি মানুষের অবিশ্বাসকে বিশ্বাসে পরিণত করে। এই মূর্তিতে পবন পুত্র শনিদেবকে পায়ের নিচে ধরে আছেন। মানুষের মধ্যে এমন বিশ্বাস আছে যে রামায়ণ যুগে হনুমানজির নিজে এখানে আসতেন। বিশ্বাস অনুসারে, এখানে মানুষ দূর -দূরান্ত থেকে আসে অঞ্জনপুত্রের আশীর্বাদ পেতে।

No comments:
Post a Comment